Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাঁচীর পর রায়পুরেও শতরান করে নিজের চেনা ছন্দ বজায় রেখেছেন বিরাট। তবে প্রথম ম্যাচ হারের পর এই ম্যাচ জিতে নেয় প্রোটিয়া শিবির (Ind vs SA)।
বিরাট-রাজের শতরানের পাল্টা মারক্রামের (Ind vs SA)
টেস্টে সিরিজ হারের পর সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে গৌতম গম্ভীরকে। এই ওয়ানডে সিরিজ ছিল গম্ভীরের নিজেকে প্রমাণ করার। তবে গম্ভীরের পাশাপাশি বিরাটেরও প্রমাণ করার ছিল অনেককিছু। ইতিমধ্যেই বিরাটকে শুনতে হয়েছে তাঁর অবসর নিয়ে। গম্ভীরের সাথে তাঁর সম্পর্কের অবনতির জেরে ড্রেসিং রুমের পরিবেশও বেশ গরম আর এই সব উপেক্ষা করে মাঠে নেমে প্রোটিয়া বোলারদের শাসন করলেন বিরাট। ম্যাচ ভারতের পক্ষে না এলেও জিতে গেলেন বিরাট। তাঁকে কিং বলা হয় তার অন্যতম কারণ হলো এই সিরিজে নিজেই জিতলেন তা নয় বরং জিতিয়ে দিলেন গম্ভীরকেও (Ind vs SA)।
রাঁচীর পর রায়পুরেও শতরান করেন বিরাট কোহলি। এক দিনের ক্রিকেটে ১১ বার পর পর দু’ম্যাচে শতরান করেছেন বিরাট। এই পরিসংখ্যানে কোহলির পর রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন তারকা এবি ডিভিলিয়ার্স। ছ’বার এই কীর্তি রয়েছে তাঁর দখলে। এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট, ৫০ ওভারের ক্রিকেটে এখনও নিজের দাপট বজায় রেখেছেন কোহলি।
তবে এই ম্যাচে রান পাননি রোহিত শর্মা। আগের ম্যাচে ৫৭ রান করেছিলেন। এই ম্যাচেও শুরুটা ভাল করেছিলেন। তিনটি চার মেরে নান্দ্রে বার্গারের বলে খোঁচা মেরে আউট হন ‘হিটম্যান’। ৮ বলে ১৪ রান করেছেন। রায়পুরের উইকেট দেখে বোঝা যাচ্ছে, আউট না হলে তাঁর সামনেও ছিল বড় রান করার সুযোগ।
রোহিত ও যশস্বী দ্রুত আউট হলেও রুতুরাজকে নিয়ে দলের ইনিংস টেনে নিয়ে যান বিরাট কোহলি। দু’জনের জুটিতে ১৯৫ রান ওঠে। রুতুরাজের ১০৫ রানের ইনিংসে রয়েছে ১২টি চার ও দুটি ছয়। এর আগে একদিনের আন্তর্জাতিকে একটি অর্ধশতরান ছিল রুতুরাজের। এবার করলেন প্রথম শতরান। বিরাট শেষ অবধি থামলেন ১০২ রানে। ৯৩ বল খেলেছেন। আউট হলেন লুঙ্গি এনগিডির বলে।

বিরাট নিজের ৫৩ তম সেঞ্চুরি করে ফেললেন প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে। রাঁচির থেকেও রায়পুরে খেলা বিরাটের ইনিংস যেন আরও নিখুঁত আরও রাজকীয়। তারপর ক্যাপ্টেন নক খেললেন রাহুল। সব মিলিয়ে ৫০ ওভারের শেষে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৩৫৮ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ২টি উইকেট নেন জ্যানসেন আর একটি করে উইকেট নিয়েছেন লুঙ্গি এনগিডি ও নান্দ্রে বার্গার (Ind vs SA)।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: “কমিশন নয়, আমরাই থাকবো”- বহুতলের আবাসিকদের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
রান তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা দল ভাল শুরু করে। ওপেনার কুইন্টন ডি কক মাত্র আট রানে ফিরলেও রান করতে সমস্যা হয়নি প্রোটিয়াদের। অন্য ওপেনার এইডেন মারক্রাম ৯৮ বলে ১১০ রান করেন। মার্করামই দলের জয়ের ভিত তৈরি করেন দেন। এর পর অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা ৪৮ বলে ৪৬ রান করেন। বাভুমা ফেরার পর ব্রিৎজকি ৬৮ রান করে। ব্রেভিসের ব্যাট থেকে আসে ৫৪ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ভারতের ইনিংসের পার্থক্য এখানেই। ভারতের সাথে দক্ষিণ আফ্রিকার এই পার্থক্যই চোখে পড়ছে। একজন সেঞ্চুরি করলে বাকিরা বড় রানের পার্টনারশিপ গড়ে দলকে জয়ের দিশা দেন।
ভারতের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন অর্শদীপ সিং ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। একটি করে উইকেট নেন হর্ষিত রানা ও কূলদীপ যাদব। প্রথম ম্যাচে বল হাতে বাজিমাত করলেও এই ম্যাচে ব্যর্থ হন স্পিনাররা। ভারতকে সিরিজ জিততে হলে এখনও অপেক্ষা করতে হবে শেষ ম্যাচ জেতার জন্য। তবে ভারতকে চিন্তায় রাখবে বোলিং ব্যর্থতা (Ind vs SA)।


