Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: খেলাধুলা ও বিনোদনের দুনিয়ায় সাফল্যের শিখরে থেকেও জীবনের অন্তর্নিহিত শান্তি ও স্থিতির সন্ধান যে কতটা জরুরি (Premanand Maharaj), তা আরও একবার প্রমাণ করলেন বিরাট কোহলি ও অনুষ্কা শর্মা। সম্প্রতি বৃন্দাবনের বরাহ ঘাটে অবস্থিত প্রেমানন্দজি মহারাজের আশ্রমে গিয়ে আধ্যাত্মিক আশীর্বাদ গ্রহণ করলেন এই তারকা দম্পতি। এই নিয়ে চলতি বছরে তৃতীয়বার বৃন্দাবন দর্শনে গেলেন বিরুষ্কা।

দেশে ফিরেই বৃন্দাবন যাত্রা (Premanand Maharaj)
গত সপ্তাহেই দুই সন্তানকে নিয়ে লন্ডন থেকে ভারতে ফেরেন বিরাট কোহলি ও অনুষ্কা শর্মা। পারিবারিক ব্যস্ততা ও কর্মজীবনের চাপ সামলে দেশে ফেরার এক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁরা পাড়ি দেন বৃন্দাবনে। এই যাত্রা যে নিছক আনুষ্ঠানিক নয়, বরং গভীর বিশ্বাস ও আত্মিক সংযোগের বহিঃপ্রকাশ তা তাঁদের বারবার ফিরে যাওয়ার মধ্যেই স্পষ্ট।
আধঘণ্টার গভীর কথোপকথন (Premanand Maharaj)
সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রায় আধঘণ্টা ধরে প্রেমানন্দজি মহারাজের সঙ্গে কথা বলেন বিরাট ও অনুষ্কা। সেই সময় শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ নয়, বরং জীবনের দর্শন, কর্ম ও সম্পর্ক নিয়ে গভীর আলোচনা হয়। জানা যাচ্ছে, মহারাজ দু’জনকে আলাদা করে ডেকে ব্যক্তিগতভাবে “ভাল থাকার গোপন মন্ত্র”ও দেন।

ধরা পড়ল আধ্যাত্মিক সংলাপ (Premanand Maharaj)
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিরাট কোহলি ও অনুষ্কা শর্মা প্রেমানন্দ মহারাজের সঙ্গে এক নিবিড় আধ্যাত্মিক আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন। ভজন মার্গের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে শেয়ার করা ওই ভিডিওতে প্রেমানন্দ মহারাজ দম্পতিকে তাঁদের কর্মজীবনকে “ভগবানের সেবা” হিসেবে ভাবার পরামর্শ দেন।
প্রেমানন্দ মহারাজের বার্তা (Premanand Maharaj)
প্রেমানন্দ মহারাজ বলেন, “নিজেদের কার্যক্ষেত্রকে ভগবানের সেবা হিসেবে ভাবতে হবে। বিনম্র থাকতে হবে। ভগবানের নাম জপ করতে হবে। তাহলেই জীবনে শান্তি আসবে, সাফল্য আসবে, আর সম্পর্ক হবে মধুর।” এই কথাগুলি যেন আধুনিক ব্যস্ত জীবনের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের জন্য এক গভীর দর্শন যেখানে কর্ম, বিশ্বাস ও বিনয় একসূত্রে বাঁধা।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: নিউটাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী!
বিরুষ্কার সঙ্গে বৃন্দাবনের পুরনো সম্পর্ক
বিরাট ও অনুষ্কার সঙ্গে বৃন্দাবনের সম্পর্ক নতুন নয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাঁরা সন্তানদের নিয়ে প্রেমানন্দজি মহারাজের আশীর্বাদ নিতে বৃন্দাবনে এসেছিলেন। আবার মে মাসে বিরাট কোহলি টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা করার পরের দিনই তাঁরা বৃন্দাবনে গিয়ে আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও মোড় পরিবর্তনের মুহূর্তে তাঁদের এই আধ্যাত্মিক আশ্রয় গ্রহণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।



