Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আর্থিক তছরুপ ও ব্যাঙ্ক জালিয়াতির মামলায় (Property Seized London) বড়সড় সাফল্য পেল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। মঙ্গলবার লন্ডনের বুকিংহাম প্যালেসের অদূরে অবস্থিত প্রায় ১৫০ কোটি টাকা মূল্যের একাধিক বিলাসবহুল স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক স্তরে তদন্তে গতি এল বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
ইডি সূত্রে খবর… (Property Seized London)
ইডি সূত্রে খবর, ভারতের একটি নামী টেক্সটাইল (Property Seized London) সংস্থা এবং তার প্রাক্তন কর্ণধারের বিরুদ্ধে বহু ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই তদন্ত চলছিল। অভিযোগ, অভিযুক্ত ভারতের একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ১,৪০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ব্যবসা সম্প্রসারণের নাম করে নেওয়া এই ঋণের টাকা প্রকৃত ব্যবসায় বিনিয়োগ না করে, ধাপে ধাপে বিদেশে পাচার করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই টাকা প্রথমে বিভিন্ন শেল কোম্পানি ও ট্রাস্টের মাধ্যমে ঘোরানো হতো। পরে সেই অর্থ ব্যবহার করে বিদেশের মাটিতে বিলাসবহুল স্থাবর সম্পত্তি কেনা হয়। লন্ডনের অভিজাত এলাকায় অবস্থিত এই সম্পত্তিগুলি অভিযুক্ত ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে নথিভুক্ত ছিল। ফলে সরাসরি অভিযুক্তের নাম সামনে না এলেও, পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে সম্পত্তির মালিকানা গোপন রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ইডির দাবি।
ট্যাক্স হেভেন দেশে ছড়িয়ে ছিল এই নেটওয়ার্ক (Property Seized London)
ইডি আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত বিদেশে একাধিক (Property Seized London) গোপন ট্রাস্ট, অফশোর কোম্পানি এবং আর্থিক নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিলেন। ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, জার্সি, সুইৎজ়ারল্যান্ড-সহ বিভিন্ন ট্যাক্স হেভেন দেশে ছড়িয়ে ছিল এই নেটওয়ার্ক। যাতে সন্দেহ না হয়, তার জন্য জটিল আর্থিক লেনদেন ও ভুয়ো ডিরেক্টরের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল।
দেশজুড়ে তল্লাশি অভিযান
ইডির বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। সেই সময় পাওয়া নথি, ব্যাঙ্ক লেনদেনের তথ্য ও ডিজিটাল প্রমাণের সূত্র ধরেই লন্ডনের এই বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ব্রিটেনের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
বর্তমানে লন্ডনের স্থানীয় প্রশাসন ও তদন্তকারী সংস্থার সহযোগিতায় ওই সম্পত্তিগুলি নিজেদের দখলে নেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে আরও সম্পত্তি ও আর্থিক বিনিয়োগের খোঁজে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই মামলায় আগামী দিনে আরও বিদেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনে অভিযুক্তকে দেশে ফিরিয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।


