Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফুটবলের বিশ্বকাপের আগে প্রযুক্তিকে আরও নিখুঁত করতে FIFA-র বড় উদ্যোগ (FIFA)।
ফুটবল বিশ্বকাপের আগে ফিফা-র বড় পদক্ষেপ (FIFA)
সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উন্নত হয়েছে প্রযুক্তি। সেই প্রযুক্তি এখন সর্বত্র। বাদ যায়নি ক্রীড়া জগৎ। ফুটবলেও ব্যবহার হচ্ছে প্রযুক্তি। VAR, গোললাইন প্রযুক্তি কার্যকর করেছে ফিফা। বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগায় দেখা গিয়েছে এক ছবি। ফিফা এইবার ফুটবল প্রযুক্তিকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ শুরু করে দিয়েছে। আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য সেমী অটোমেটিক অফসাইড প্রযুক্তিকে আরও উন্নতমানের করতে চলেছে। আর তার জন্য ব্যবহার করা হবে ১২৪৮ জন ফুটবলারকে (FIFA)।
এখন VAR প্রযুক্তির সাহায্যে গুতুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তনিয়ে থাকেন ম্যাচ রেফারি। অফসাইড গোল হোক বা ফাউল, সবেতেই VAR-এর সাহায্য নেন রেফারি। এতে সিদ্ধান্তে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না বললেই চলে। কিন্তু সামান্য হলেও কিছু ফাঁক থেকেই যাই আর সেটাও চাইছে না ফিফা।

কোন পদ্ধতিতে কাজ করবে ফিফা? বিশ্বকাপে খেলা সব প্লেয়ারের বানানো হবে 3D মডেল। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে বানানো হবে এই মডেল। প্রত্যেক পেলেয়ারের উচ্চতা, স্বাস্থ্য মেনে তৈরি করা হবে এই মডেল। বিশ্বকাপের ৪৮টা দলে খেলবেন ২৬ জন করে প্লেয়ার, মোট সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়াবে ১২৪৮। ফিফা প্রত্যেক প্লেয়ারের 3D মডেল তৈরি করবে (FIFA)।
আরও পড়ুন: India-Bangladesh Border: সীমান্তে তৎপরতা বাড়াচ্ছে ভারতীয় সেনা
এর জন্য সব প্লেয়ারকে একটা স্ক্যানিং চেম্বারের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এর পর সেখানে প্লেয়ার দাঁড়াবেন এবং AI তাঁকে স্ক্যান করবে। এই কাজটি করবে একটি বহুজাতিক প্রযুক্তি সংস্থা। ফিফা-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই স্ক্যানিংয়ের জন্য আলাদা করে কোনও প্লেয়ারকে যেতে হবে না। বিশ্বকাপের আগে যে ফটোশ্যুট করা হয় সেই সময়েই এই স্ক্যান করা হবে।
এর ফলে ভিএআর-এ কোনও প্লেয়ারের বডি মুভমেন্ট আরও রিয়ালিস্টিক হবে যার ফলে বুঝতে সুবিধা হবে। এর আগে ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে। সেখানে সাফল্য পাওয়ার পর বিশ্বকাপে এই প্রযুক্তি কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (FIFA)।


