Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জাতীয় সংগীত গাওয়া না গাওয়া-এই একটি সিদ্ধান্ত (Iranian Women Football Team) ঘিরেই চরম বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে ইরানের মহিলা ফুটবল দল। এশিয়া কাপে মাঠে নামার আগে কয়েক সেকেন্ডের সেই নীরবতা এখন তাঁদের জীবনে বড় সংকট ডেকে এনেছে। ঘটনাটি নিয়ে মুখ খুলেছেন ইরানের প্রাক্তন ফুটবল কোচ আফশিন ঘোতবি। তাঁর কথায়, এই ফুটবলাররা এখন সাহসের প্রতীক, সত্যিকারের বীরাঙ্গনা।
নীরবতাই প্রতিবাদের বার্তা (Iranian Women Football Team)
দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে এশিয়া কাপে প্রথম (Iranian Women Football Team) ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত বাজানোর সময় ইরানের খেলোয়াড়েরা নীরব ছিলেন। সেই সময় আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিমান হামলার পর ইরানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি চলছিল। অনেকের মতে, সেই নীরবতাই ছিল এক ধরনের প্রতিবাদের বার্তা। তবে পরবর্তী ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপিন্সের বিরুদ্ধে জাতীয় সংগীত গাইতে দেখা যায় দলকে। অভিযোগ ওঠে, সরকারি প্রতিনিধিদের চাপেই নাকি খেলোয়াড়দের এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

শাস্তির দাবি (Iranian Women Football Team)
মাঠের লড়াইয়ে পরাজয়ের পর টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায় ইরান। এরপর দেশে ফেরার কথা থাকলেও পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক উপস্থাপক তাঁদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে মন্তব্য করেন এবং শাস্তির দাবি তোলেন। নিরাপত্তার আশঙ্কায় কয়েকজন খেলোয়াড় দেশে না ফিরে অস্ট্রেলিয়ায় মানবিক ভিসার আবেদন করেন এবং তা পানও।
অসহায় পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়েরা
পুরো ঘটনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন কোচ ঘোতবি। তাঁর মতে, খেলোয়াড়দের খেলায় মন দেওয়ার কথা, কিন্তু তাঁদের রাজনৈতিক চাপের মধ্যেও সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকারের পাশে দাঁড়ালে জনগণের বিরোধিতা, আর মানুষের পাশে দাঁড়ালে সরকারের রোষ-এই দ্বৈত চাপে পড়ে খেলোয়াড়রা অসহায় পরিস্থিতির মুখে পড়ছেন।

আরও পড়ুন: LPG Crisis: গ্যাস সঙ্কটে নাজেহাল, এবার বিরিয়ানির হাঁড়িতে কোপ!
ঘোতবির কথায়, খেলাধুলা মানুষের মধ্যে ঐক্য ও শান্তির বার্তা দেয়। তাই তিনি আশা করছেন, রাজনীতি থেকে দূরে রেখে খেলোয়াড়দের নিজেদের মতো করে খেলতে ও বাঁচতে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।



