Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: থাইল্যান্ড মানেই অনেকের কাছে স্বপ্নের ছুটি সুন্দর সমুদ্রসৈকত, জমজমাট স্ট্রিট ফুড আর প্রাণবন্ত নাইটলাইফ। কিন্তু এই আকর্ষণীয় দেশেই রয়েছে কিছু কঠোর আইন, যা না জানলে ভ্রমণ আনন্দের বদলে বড় সমস্যায় ফেলতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম হলো ভ্যাপিং বা ই-সিগারেট(Thailand Fine)। যা এই দেশে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
কঠোর নিয়মের মুখোমুখি (Thailand Fine)
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের এক পরিবার এই কঠোর নিয়মের মুখোমুখি হয়ে পড়ে। এসেক্সের ৪৩ বছর বয়সী সারা গ্রিন তার সঙ্গী ও তিন সন্তানকে নিয়ে ফুকেটের কামালা বিচে ছুটি কাটাচ্ছিলেন। হঠাৎই পুলিশ এসে তাদের ভ্যাপ জমা দিতে বলে। আশপাশে অন্যদের ভ্যাপ ব্যবহার করতে দেখে তারা ভেবেছিলেন বিষয়টি হয়তো তেমন গুরুত্ব পায় না। কিন্তু বাস্তবে তা নয়।
লক্ষাধিক টাকার জরিমানা
পুলিশ তাদের একটি ছোট থানায় নিয়ে যায় এবং জানায় যে পরদিন আদালতে তোলা হতে পারে। পরে ৪০,০০০ থাই ভাট (প্রায় ১.১৩ লক্ষ টাকা) জরিমানা দিয়ে তারা মুক্তি পান। পুলিশ সতর্ক করে দেয়, আবার ধরা পড়লে পাঁচ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।
নিষিদ্ধ সামগ্রীর লম্বা তালিকা
থাইল্যান্ডে ২০১৪ সাল থেকে ই-সিগারেট, ভ্যাপ পেন, ই-লিকুইড, এমনকি যন্ত্রাংশ পর্যন্ত নিষিদ্ধ। আমদানি, ব্যবহার বা বিক্রি সবই আইনত অপরাধ। এই পণ্যগুলোকে নিষিদ্ধ সামগ্রীর তালিকায় রাখা হয়েছে, যার ফলে শাস্তিও কঠোর।
আইনের প্রয়োগ আরও জোরদার (Thailand Fine)
সাম্প্রতিক সময়ে এই আইনের প্রয়োগ আরও জোরদার হয়েছে। বিমানবন্দর, বাজার, সমুদ্রসৈকত বা হোটেল সব জায়গাতেই নজরদারি চলছে। শুধু ২০২৫ সালেই এক সপ্তাহে প্রায় ৬৯০ জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং বিপুল পরিমাণ ভ্যাপ জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন: US India Back: বাড়ছে “রিভার্স ব্রেন ড্রেন”: কী বলছেন NRI-রা?
বিকল্প নিকোটিন প্যাচ বা গাম (Thailand Fine)
তাই থাইল্যান্ড ভ্রমণে গেলে কোনোভাবেই ভ্যাপ বহন না করাই সবচেয়ে নিরাপদ। বিকল্প হিসেবে নিকোটিন প্যাচ বা গাম ব্যবহার করা যেতে পারে, যা সেখানে বৈধভাবে পাওয়া যায়। একটু সচেতন থাকলেই ছুটির আনন্দ অটুট থাকবে।



