Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অসমে বিধানসভা নির্বাচনের (Himant Biswa Sarma) আগে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ভোটের ঠিক আগের দিন তাঁর বক্তব্যে হঠাৎ বদল ঘিরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।
গোমাংস ভক্ষণ নিয়ে কড়া অবস্থান (Himant Biswa Sarma)
কয়েকদিন আগেই নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে গোমাংস (Himant Biswa Sarma) ভক্ষণ নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছিলেন হিমন্ত। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যারা গোমাংস খান তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। কিন্তু ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে তাঁর সুর একেবারে বদলে গেল। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, অসমের মুসলিমদের গোমাংস খাওয়ার উপর কোনও বাধা নেই, তবে তা যেন ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, জনসমক্ষে না করা হয়।

রাজনৈতিক তরজা (Himant Biswa Sarma)
এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের আগে সংখ্যালঘু ভোটারদের আকৃষ্ট করতেই এই অবস্থান পরিবর্তন। আম আদমি পার্টি কটাক্ষ করে জানিয়েছে, গোমাতা বিষয়টি বিজেপির কাছে কেবলই নির্বাচনী অস্ত্র। একদিকে গোরক্ষার নামে হিংসা, অন্যদিকে নেতাদের দ্বিচারিতা-এই অভিযোগই তুলছে তারা।
হোটেল-রেস্তরাঁতেও কড়াকড়ি
অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব-ও এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় হিমন্তের বক্তব্য শেয়ার করে তিনি তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিজেপিকে। তাঁর বার্তা-রাজনীতির স্বার্থে বারবার অবস্থান বদল করছে শাসকদল। উল্লেখ্য, অসমে গোমাংস ভক্ষণ ও বিক্রি নিয়ে ইতিমধ্যেই কঠোর আইন রয়েছে। মন্দির সংলগ্ন এলাকা তো বটেই, বর্তমানে রাজ্যের বহু জায়গায় প্রকাশ্যে গোমাংস খাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। হোটেল-রেস্তরাঁতেও এই বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: Narendra Storm: নরেন্দ্র ঝড়ে কাঁপতে চলেছে বাংলা
এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনের আগে এই ধরনের ইস্যু সামনে এনে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা নতুন নয়। তবে শেষ পর্যন্ত এই অবস্থান বদল ভোটের ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।


