Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে বড় রানে জেতার পরেও চিন্তা বাড়ল বিরাট কোহলিকে নিয়ে (Virat Kohli)।
তবে কি পরের ম্যাচে নামবেন না বিরাট (Virat Kohli)
রবিবার মুম্বইয়ে হারিয়ে আবার জয়ের রাস্তায় ফিরেছে বিরাট বাহিনী। এই মুহূর্তে আইপিএল-এ একদিকে যেমন নজর রয়েছে সমর্থকদের তেমনই ভারতীয় সমর্থকরা ভাবতে শুরু করে দিয়েছেন ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ নিয়ে। আর সেই বিশ্বকাপে বিরাট-রোহিতকে নিয়ে উন্মাদনা যে কয়েকগুণ বেশি সেটা এই মুহূর্তে স্পষ্ট। তবে রবিবার ম্যাচের পর কিছুটা হলেও চিন্তায় এই দুই তারকার ভক্তরা (Virat Kohli)।
মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম ব্যাট করতে নেমে বিরাট হাফ সেঞ্চুরি করেন কিন্তু তারপর তাঁর চোট নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় ভারতীয় সমর্থকরা। মুম্বইয়ের ব্যাটিংয়ের সময় বিরাট ফিল্ডিং করেননি। তাঁকে দেখা যায় ডাগ-আউটে বসে থাকতে। ২৪০ রান তোলে এই দিন বেঙ্গালুরু। আর এর জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৮ রানে হেরে যায় মুম্বই শিবির। কিন্তু জয়ের পরেও বিরাটকে নিয়ে চিন্তায় ভারতীয় সমর্থকরা। আবার অন্যদিকে রোহিত শর্মা ব্যাট করতে নেমে কিছুক্ষণের মধ্যেই ছোট পেয়ে উঠে যান। দল যখন বিপাকে সেই সময়েও দলের হাল ধরতে নামতে পারেননি হিটম্যান। সুতরাং আইপিএল-এ এই দুই তারকার চোট ভারতীয় সমর্থকদের কাছে আশঙ্কার।

রবিবার যখন মুম্বই ব্যাট করছিল সেই সময় বিরাট বসে ছিলেন মাঠের বাইরে আর এই দৃশ্য দেখে উদ্বিগ্ন হয় কোহলি ভক্তরা। ম্যাচ শেষে তাঁদের আশ্বস্ত করেন দলের অধিনায়ক রজত পতিদার। বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক ম্যাচ শেষে জানান কোহলির ফিটনেস নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। তিনি বলেন, ‘আমি এখনও ঠিক জানি না। তবে আমার মনে হয়, ও এখন ঠিক আছে।’ এই ম্যাচে ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের স্কোর ২৪০ নিয়ে যাওয়ার পিছনের রয়েছেন রজত পতিদার। তবে সল্ট আর বিরাট রানের ভিত গড়ে দিয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন টিম ডেভিড (Virat Kohli)।
আরও পড়ুন: Sandeshkhali: স্বাধীনতার পর প্রথম আদিবাসী মহিলা প্রার্থী
আরসিবি অধিনায়ক জানান দলের ব্যাটিং নিয়ে খুশি তিনি। প্লেয়ারদের যে ভূমিকা আগে থেকেই স্পষ্ট ছিল সেই বিষয়েও বলেন তিনি। পতিদার বলেন, ‘মুম্বইয়ের এই মাঠে আলাদা আবহাওয়া। স্টেডিয়াম পুরো ভর্তি থাকে। সম্পূর্ণ আলাদা অনুভূতি। প্রত্যেককে নিজেদের ভূমিকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যেভাবে বিরাট ভাই এবং সল্ট ইনিংস শুরু করে, আমরা শুরুতেই ডাইভিং সিটে চলে যাই। তারপর আমার এবং টিম ডেভিডের ক্যামিও। দলীয় প্রচেষ্টায় জয়।’

তবে এই ম্যাচে সবকিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছেন ম্যাচ শেষের একটি মুহূর্ত। একই ফ্রেমে তখন ক্রিকেটের ঈশ্বর আর বর্তমান ক্রিকেটের কিং। শচীন এবং বিরাটের একে অপরকে জড়িয়ে ধরা এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ের এই মুহূর্ত সামনে আসতেই উচ্ছসিত ভক্তরা। বিরাট এর আগেও বহু সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন তাঁর ক্রিকেট শুরু করার অন্যতম অনুপ্রেরণা হলেন ‘মাস্টার-ব্লাস্টার’ শচীন তেণ্ডুলকর। এই দুই মহারথীকে একই ফ্রেমে দেখা সমর্থকদের কাছে বাড়তি পাওনা (Virat Kohli)।


