Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রতিটি ভোটারের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য (Election 2026)। সেই লক্ষ্যকে আরও বাস্তবায়িত করতে এবার এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে অশীতিপর প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটগ্রহণ। বাঁকুড়া জেলায় এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে, যা মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

আগাম তালিকা তৈরির গুরুত্ব (Election 2026)
এই বিশেষ ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের জন্য প্রথমেই প্রয়োজন ছিল সঠিক পরিকল্পনা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন আগেভাগেই এমন ভোটারদের একটি তালিকা প্রস্তুত করে। এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে প্রবীণ নাগরিক, শারীরিকভাবে অক্ষম বা বিশেষভাবে সক্ষম ভোটার, জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১২ হাজার ভোটার এই তালিকায় অ
কড়াকড়ি ব্যবস্থায় ভোটগ্রহণ (Election 2026)
নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই বাড়ি বাড়ি ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রেও কোনওরকম ঢিলেমি রাখা হয়নি। ভোটকর্মীরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি ভোটারের বাড়িতে পৌঁছচ্ছেন। সেখানে, অস্থায়ী ভোটিং কম্পার্টমেন্ট তৈরি করা হচ্ছে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট নেওয়া হচ্ছে, নির্দিষ্ট নিয়ম ও প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলা হচ্ছে, এইভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে যে বাড়িতে ভোট হলেও তার গ্রহণযোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্যতা বুথের ভোটের মতোই থাকে।

খুশি প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটাররা (Election 2026)
অনেক প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের পক্ষে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। শারীরিক দুর্বলতা, দূরত্ব বা যাতায়াতের অসুবিধা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে, তারা বাড়িতে বসেই সহজে ভোট দিতে পারছেন, শারীরিক কষ্ট ও ঝুঁকি এড়ানো যাচ্ছে, গণতন্ত্রে নিজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারছেন, ফলে স্বাভাবিকভাবেই তাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে আনন্দ ও স্বস্তি।
আরও পড়ুন: Charak Puja: চৈত্রের দাবদাহে জেগে ওঠে গাজন ও চড়কের উন্মাদনা

১৬ এপ্রিলের মধ্যে কাজ শেষ
বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই এই কর্মসূচির জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। আগামী ১৬ এপ্রিলের মধ্যে বাড়ি বাড়ি ভোটগ্রহণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সমস্ত ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।



