Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে (South 24 Parganas)। অভিযোগ, আইএসএফ কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়েছে এবং তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

কোথায় ঘটেছে ঘটনা? (South 24 Parganas)
ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানার অন্তর্গত শেওড়াদেড়িয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই এলাকা আগে থেকেই রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক এই ঘটনায় সেই উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে কী? (South 24 Parganas)
আইএসএফের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের তিন কর্মী আলাউদ্দিন লস্কর, সালাউদ্দিন লস্কর এবং রাকিবুল লস্করের বাড়ির দেওয়ালে ক্যানিং পূর্বের আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলামের নির্বাচনী ব্যানার লাগানো হয়েছিল। এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে হামলার সূত্রপাত বলে অভিযোগ। কেন ওই ব্যানার লাগানো হয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলে অভিযুক্তরা ওই তিন কর্মীকে মারধর করে এবং তাদের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এমনকি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি আইএসএফের।

আহতদের পাশে প্রার্থী (South 24 Parganas)
ঘটনার খবর পেয়ে আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলাম আহত কর্মীদের বাড়িতে যান। তিনি তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে তিনি এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি জানান।
পুলিশের ভূমিকা ও তদন্ত (South 24 Parganas)
ঘটনার পর দ্রুত এলাকায় পৌঁছায় পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত বাহিনী। ইতিমধ্যে পুলিশ দুজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে যাতে নতুন করে কোনো অশান্তি না ছড়ায়।
শাসক দলের প্রতিক্রিয়া (South 24 Parganas)
ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বাহারুল ইসলাম এই ঘটনায় সরাসরি মন্তব্য করতে চাননি। তিনি জানান, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে তারপর বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানাবেন।

আরও পড়ুন: US Flight: একদিনেই বাতিল হাজারের বেশি উড়ান: ভ্রমণ মরসুমে আমেরিকায় চরম যাত্রী দুর্ভোগ
রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে
ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে পারস্পরিক অভিযোগ-প্রত্যঅভিযোগ নতুন নয়, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখা এখন প্রশাসনের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



