Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ৫৩ বছর বয়সী মিনু বাত্রাকে টেক্সাসে আটক করেছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE Detained)। তার বিরুদ্ধে নেওয়া এই ব্যবস্থার বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত ৩৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাত্রা টেক্সাসের একমাত্র লাইসেন্সপ্রাপ্ত পাঞ্জাবি, হিন্দি ও উর্দু ভাষার আদালত-অনুবাদক হিসেবে কাজ করছিলেন এবং বহু অভিবাসীকে তিনি আইনি সহায়তা দিয়েছেন।
নথি থাকা সত্ত্বেও হাতকড়া পরিয়ে গ্রেফতার (ICE Detained)
১৭ মার্চ হারলিঞ্জেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মিলওয়াকিতে যাত্রা করার সময় তাকে আটক করা হয়। বাত্রা দাবি করেন, তার বৈধ নথি ও কাজের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও তাকে হাতকড়া পরিয়ে গ্রেফতার করা হয় এবং পরে তাকে রেমন্ডভিলের এল ভালে ডিটেনশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়।

“অদ্ভুত” ও “অমানবিক”
জেল থেকেই ‘দ্য গার্ডিয়ান’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই ঘটনাকে “অদ্ভুত” ও “অমানবিক” বলে বর্ণনা করেছেন। “আমাকে যেন অপরাধীর মতো আচরণ করা হচ্ছে,” বলেন তিনি। তার আশঙ্কা, তাকে এমন একটি দেশে পাঠানো হতে পারে যেখানে তিনি কখনও থাকেননি।
২৪ ঘণ্টা জল ও খাবার দেওয়া হয়নি (ICE Detained)
বাত্রা জানান, আটক হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা তাঁকে জল ও খাবার দেওয়া হয়নি এবং প্রয়োজনীয় ওষুধও পাননি তিনি। এছাড়া, তাঁকে হাত পিছনে রেখে ছবি তুলতে বাধ্য করা হয়, যা সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য ব্যবহার করা হতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন: India Rupee: এশিয়ার অন্যান্য মুদ্রাকে পিছনে ফেলে উত্থান বজায় রাখল ভারতীয় টাকা
প্রশ্নের মুখে মার্কিন অভিবাসন নীতি (ICE Detained)
বাত্রার আইনজীবী দীপক আলুওয়ালিয়া জানান, ২০০০ সালে একটি ইমিগ্রেশন আদালত বাত্রাকে ভারতে ফেরত পাঠানো যাবে না বলে রায় দেয়, কারণ সেখানে তার নির্যাতনের আশঙ্কা রয়েছে। তবে বর্তমানে তাকে কোথায় পাঠানো হবে তা স্পষ্ট নয়। এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতির মানবাধিকার প্রশ্ন আবারও সামনে এসেছে।



