Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ইজরায়েল সংঘাতের আবহে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইরানের সংসদের ডেপুটি স্পিকার হামিদ রেজা হাজিবাবাঈ জানিয়েছেন, প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর আরোপিত টোল থেকে প্রথম রাজস্ব ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের হিসাবে জমা পড়েছে(Hormuz Toll)। তবে এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে বা কীভাবে আদায় করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ (Hormuz Toll)
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পারাপার হয়। কিন্তু যুদ্ধের কারণে ইরান এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে। ফেব্রুয়ারি ২৮-এ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রণালীতে কেবল সীমিত সংখ্যক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
টোল আরোপের প্রস্তাব
এর আগে ইরানের সংসদে জাহাজ চলাচলে টোল আরোপের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছিল। মার্চের শেষে নিরাপত্তা কমিশন এ বিষয়ে অনুমোদন দেয় বলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানালেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুরোপুরি চালু করা “অসম্ভব”
এদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, হরমুজ প্রণালী পুনরায় পুরোপুরি চালু করা “অসম্ভব”। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন।
দুটি বিদেশি জাহাজ আটক (Hormuz Toll)
অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) দাবি করেছে, তারা দুটি বিদেশি জাহাজ আটক করেছে। অভিযোগ, জাহাজ দুটি গোপনে প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করছিল। এই ঘটনাকে সংঘাত শুরুর পর প্রথম বড় ধরনের জাহাজ জব্দ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Mohammad Nawaz: ডোপিং-এ পজিটিভ পাক অলরাউন্ডার
যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে জটিলতা (Hormuz Toll)
পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিকে সামরিক হামলার হুমকি দিলেও পরে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণা দেন। তবে অবরোধ বজায় রাখার কথা জানান। ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ বেড়ে বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিচ্ছে।



