Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরানের চাবাহার বন্দর ঘিরে ভারতের কূটনৈতিক পরিকল্পনায় নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে(India Chabahar)। গত বছরের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র যে নিষেধাজ্ঞা-ছাড় দিয়েছিল, তার মেয়াদ ২৬ এপ্রিল শেষ হয়েছে। ফলে এখন প্রশ্ন উঠেছে ভারত কি এই প্রকল্প থেকে সরে যাবে, নাকি ঝুঁকি নিয়েই থাকবে?
ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম (India Chabahar)
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়াতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে নয়াদিল্লির সামনে একটি বড় কূনৈতিক দ্বিধা তৈরি হয়েছে।
বিভিন্ন বিকল্প খতিয়ে দেখছে সরকার
গত বছর নভেম্বরেই ভারত চাবাহার থেকে নিজেদের সব কর্মী সরিয়ে নেয় এবং ১২০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আগাম পরিশোধ করে। এখন সরকার বিভিন্ন বিকল্প খতিয়ে দেখছে। তার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব হল ভারত পোর্টস গ্লোবালের অংশীদারিত্ব একটি ইরানি সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা। তবে শর্ত হিসেবে রাখা হতে পারে, ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে ভারত আবার সেই শেয়ার ফিরে পাবে।
ভারত-ইরানের ১০ বছরের চুক্তি
২০২৪ সালে ভারত ও ইরানের মধ্যে ১০ বছরের একটি চুক্তি হয়, যার মাধ্যমে ভারত এই বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। এখন পর্যন্ত প্রকল্পে ভারতের মোট বিনিয়োগ প্রায় ৬২০ মিলিয়ন ডলার।
চাবাহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (India Chabahar)
চাবাহার বন্দর ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি পাকিস্তান ও চীনের গ্বাদার বন্দরের প্রভাব মোকাবিলায় কূটনৈতিক সুবিধা দেয়। পাশাপাশি এটি উত্তর-দক্ষিণ পরিবহন করিডরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ভারতের সঙ্গে মধ্য এশিয়া, ইউরোপ ও রাশিয়ার সংযোগ স্থাপন করে।
আরও পড়ুন: India Defence: ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: মহাকাশের বাড়তে থাকা গুরুত্ব নিয়ে গুরুতর সতর্কবার্তা
অংশীদারিত্ব হস্তান্তরই বাস্তবসম্মত পথ (India Chabahar)
তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অংশীদারিত্ব হস্তান্তরই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে। কিন্তু এতে দীর্ঘমেয়াদে ভারতের ভূরাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।



