Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: লন্ডনের রিজেন্টস পার্কে ১৮২৮ সালে যখন জুলজিক্যাল সোসাইটি অব লন্ডন (ZSL) প্রথম তাদের চিড়িয়াখানা খুলেছিল, তখন সেটি ছিল কেবল সদস্যদের জন্য। সাধারণ মানুষকে জিরাফ বা জেব্রা দেখতে টিকিট কিনে ঢোকার সুযোগ পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৮৪৭ সাল পর্যন্ত। প্রতিষ্ঠার প্রায় ২০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবার একেবারেই ভিন্ন কিছু পরিকল্পনা করেছে ZSL তাদের ভেটেরিনারি অপারেশন থিয়েটারের ভিতর দেখার জন্য খোলা ‘লাইভ’ জানালা(London Zoo)।
ওয়াইল্ডলাইফ হেলথ সেন্টার (London Zoo)
এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে রিজেন্টস পার্ক চিড়িয়াখানায় তৈরি হবে একটি নতুন ‘ওয়াইল্ডলাইফ হেলথ সেন্টার’। এক অজ্ঞাতপরিচয় দাতা সংস্থা ২০ মিলিয়ন পাউন্ড দান করেছে, যা ZSL-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অনুদান। এই ভবনে থাকবে একটি বিশেষ ভিউইং গ্যালারি, যেখান থেকে দর্শনার্থীরা সরাসরি পশু চিকিৎসার কাজ দেখতে পারবেন ব্রিটেনের কোনো চিড়িয়াখানায় যা আগে হয়নি।
চিকিৎসা প্রক্রিয়ার প্রদর্শনী
এখানে নানা ধরনের চিকিৎসা প্রক্রিয়া দেখানো হবে। যেমন ক্যারিবীয় অঞ্চলের ‘মাউন্টেন চিকেন ফ্রগ’-এর এক্স-রে বা ব্রিটিশ উপকূলে মৃত অবস্থায় পাওয়া ডলফিন ও পোরপয়েসের পোস্টমর্টেম। এছাড়া বনাঞ্চলে ছেড়ে দেওয়ার আগে হ্যাজেল ডরমাউসের স্বাস্থ্য পরীক্ষাও এখানে করা হবে।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার ট্রেনিং (London Zoo)
তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাবে নিয়মিত চিকিৎসা। গ্যালাপাগোস কচ্ছপকে ওজন মাপার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, আর সিংহ-বাঘকে শেখানো হয়েছে অজ্ঞান না করেই রক্ত পরীক্ষা করানোর জন্য লেজ এগিয়ে দিতে।
আরও পড়ুন: India Fuel: ডিজেল ও এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলে বড় সিদ্ধান্ত: রফতানি শুল্ক কমাল ভারত
এই উদ্যোগের সমালোচনা (London Zoo)
ZSL এই কেন্দ্রকে ‘ওয়ান হেলথ’ গবেষণার অংশ হিসেবেও ব্যবহার করবে, যেখানে প্রাণী ও মানুষের রোগের সম্পর্ক নিয়ে কাজ হয়। তবে ‘বর্ন ফ্রি ফাউন্ডেশন’ এই উদ্যোগের সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, চিড়িয়াখানায় চিকিৎসা প্রদর্শন নৈতিক প্রশ্ন তোলে এবং এর বদলে বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক আবাস সংরক্ষণে জোর দেওয়া উচিত। ZSL বলছে, এই গ্যালারির উদ্দেশ্য স্বচ্ছতা মানুষকে দেখানো, পশুচিকিৎসকরা আসলে কীভাবে কাজ করেন।



