Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারত বছরে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ টন সোনা আমদানি করে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সোনা উপভোক্তা দেশ হলেও, দেশের নিজস্ব খনি থেকে উৎপাদন হয় মাত্র ১-২ টন। অর্থাৎ, ভারতের সোনার চাহিদার ৯০ শতাংশেরও বেশি পূরণ হয় আমদানির মাধ্যমে। আর সেই কারণেই বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারের উপর বাড়ছে চাপ(Gold Import)।
সোনা কেনা এড়ানোর আবেদন (Gold Import)
এই পরিস্থিতিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হায়দরাবাদের এক সভায় আগামী এক বছর “অপ্রয়োজনীয়” সোনা কেনা এড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি জ্বালানি সাশ্রয়, অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর কমানো এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের কথাও বলেন।
বিপুল পরিমাণ ডলার বিদেশে যাচ্ছে
ভারতের আমদানি ব্যয়ের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে অপরিশোধিত তেল, ইলেকট্রনিক্স এবং সোনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পোৎপাদনে ব্যবহার না হয়ে অধিকাংশ সোনা যায় গয়না, বিনিয়োগ এবং পারিবারিক সঞ্চয়ে। ফলে বিপুল পরিমাণ ডলার বিদেশে চলে যাচ্ছে।
আমদানি বিল আরও বেড়েছে
বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতার কারণে তেলের দাম বাড়ায় ভারতের আমদানি বিল আরও বেড়েছে। তার সঙ্গে সোনার বিপুল আমদানি যোগ হয়ে বাড়ছে বাণিজ্য ঘাটতির চাপ।
সোনা আমদানিতে বড় পতন
তবে সাম্প্রতিক মাসগুলিতে সোনা আমদানিতে বড় পতন দেখা গেছে। জানুয়ারিতে প্রায় ১০০ টন সোনা আমদানি হলেও, মার্চে তা নেমে আসে ২০-২২ টনে। এপ্রিল মাসে আমদানি দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৫ টনে, যা কোভিড সময় বাদ দিলে বহু বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
সোনার বাজারে বড় পরিবর্তন (Gold Import)
অন্যদিকে, ভারতের সোনার বাজারে বড় পরিবর্তনও দেখা যাচ্ছে। বিশ্ব স্বর্ণ পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এবার প্রথমবারের মতো গয়নার চেয়ে বিনিয়োগের জন্য বেশি সোনা কিনছেন ভারতীয়রা। বার, কয়েন ও গোল্ড ETF-এ বিনিয়োগ ৫৪ শতাংশ বেড়েছে।
আরও পড়ুন: Sensex and Nifty50: সকাল থেকেই রক্তক্ষরণ দালাল স্ট্রিটে
সোনা কেনা কমানো সহজ হবে না (Gold Import)
বিশেষজ্ঞদের মতে, শেয়ারবাজারের অনিশ্চয়তা, মুদ্রাস্ফীতি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে মানুষ এখন সোনাকেই সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে দেখছেন। তাই সরকারের আবেদন সত্ত্বেও সোনা কেনা কমানো সহজ হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।



