Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্নে কেন্দ্রকে তীব্র বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে শুনানিতে বৃহস্পতিবার শীর্ষ আদালত প্রশ্ন তোলে সিবিআই ডিরেক্টর বাছাই কমিটিতে যেখানে ভারতের প্রধান বিচারপতি (CJI) থাকেন, সেখানে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার শীর্ষ পদে নিয়োগে কেন কোনও স্বাধীন সদস্য রাখা হবে না?(SC EC Recruitment)
নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন (SC EC Recruitment)
বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত শুনানির সময় বলেন, “সিবিআই ডিরেক্টর নিয়োগে সিজেআই রয়েছেন। সেটাকে আইনশৃঙ্খলা বা আইনের শাসনের প্রশ্ন বলা যেতে পারে। কিন্তু গণতন্ত্র রক্ষা ও অবাধ নির্বাচনের জন্য স্বাধীন সদস্য থাকবে না কেন?”
নিয়োগ প্রশ্নে জটিলতা
বর্তমান আইনে প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিয়ে গঠিত কমিটি নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করে। এই কাঠামো নিয়েই আদালতের আপত্তি। বিচারপতি দত্ত মন্তব্য করেন, “আজ প্রধানমন্ত্রী একজনকে বেছে নেবেন, বিরোধী দলনেতা আরেকজনকে। মতভেদ হলে তৃতীয় সদস্য কি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষেই যাবেন না?”
আদালতে কড়া মন্তব্য
এর জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরমণি বলেন, তিনি এ বিষয়ে “অনুমান করতে চান না”। তখনই আদালত কড়া সুরে জানায়, “তাহলে তো পুরো বিষয়টাই কার্যত নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে।”
সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত (SC EC Recruitment)
বেঞ্চ আরও পর্যবেক্ষণ করে, এই ধরনের নিয়োগে বাস্তবে ২:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হবে এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর মতের বিরোধিতা করার সম্ভাবনা খুবই কম।
আরও পড়ুন: Delhi Anouncement: জ্বালানি সাশ্রয়ে দিল্লি সরকারের বড় সিদ্ধান্ত, সপ্তাহে দু’দিন ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’
নতুন করে বিতর্ক (SC EC Recruitment)
বিচারপতি দত্ত বলেন, “আমাদের প্রাথমিক উদ্বেগ হল, এখানে নির্বাহী বিভাগের ভেটো কেন থাকবে? সংসদের আইন তৈরির ক্ষমতা আছে ঠিকই, কিন্তু সেই আইন সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তার চূড়ান্ত ব্যাখ্যা দেওয়ার অধিকার সুপ্রিম কোর্টের।” নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর নিরপেক্ষতা নিয়ে এই পর্যবেক্ষণ নতুন করে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্ক উস্কে দিল।



