Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বের অন্যান্য বড় শহরের তুলনায় (Kolkata Traffic Police) কলকাতায় রাস্তার পরিমাণ মাত্র ৭ শতাংশ। এই সীমিত পরিকাঠামোর মধ্যেও যেভাবে ট্রাফিক পুলিশ প্রতিনিয়ত পথঘাট সচল রাখছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ট্রাফিক পুলিশের এই কঠোর পরিশ্রমকে সাধুবাদ জানালেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় কুমার নন্দ।
পুলিশ কর্মীদের জন্য নয়া উদ্যোগ (Kolkata Traffic Police)
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে (Kolkata Traffic Police) তিনি জানান, গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ডিউটি করা পুলিশকর্মীদের মনোবল বাড়াতে ও শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কর্মীদের নিয়মিত ওআরএস দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, কনস্টেবল পদের কর্মীদের পোশাক ও সরঞ্জামে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে-যেমন ভারী বুটের বদলে আরামদায়ক অ্যাঙ্কলেট বা হালকা জুতো ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, তীব্র গরমের কথা মাথায় রেখে তাঁদের ডিউটির সময়ও প্রায় ২ ঘণ্টা কমানো হয়েছে, যাতে তাঁরা কিছুটা স্বস্তি পান। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষ থেকেও পুলিশকর্মীদের মানসিক শক্তি ও উৎসাহ জোগাতে সবরকম সমর্থন দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইন ভাঙার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান
হেলমেটবিহীন বাইক আরোহীদের প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানান, শহরে ইতিমধ্যেই ট্রাফিক আইন ভাঙার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চলছে এবং আগামী দিনে এই অভিযান আরও জোরদার করা হবে। তিনি মনে করিয়ে দেন, চালক এবং বাইকের পিছনে বসা আরোহী উভয়ের সুরক্ষার জন্য হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক। পথ দুর্ঘটনায় হওয়া প্রাণহানি ও গুরুতর আঘাতের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দু-চাকার গাড়ি জড়িত থাকে, তাই এই বিষয়ে কোনো রকম আপস করা হবে না। আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তিনি সাধারণ মানুষের সহযোগিতার ওপর বিশেষভাবে জোর দেন।
আরও পড়ুন: TMC Allegation: তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে ত্রিপল চুরির অভিযোগ!
তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের দৃশ্যমান ও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় স্তরে ও বিভিন্ন কমিউনিটির সঙ্গে নিয়মিত আলোচনাও চালানো হচ্ছে। তবে সমাজের আইন-শৃঙ্খলা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থা সম্পূর্ণ সুস্থ রাখতে গেলে শুধুমাত্র পুলিশের ওপর নির্ভর করলে চলবে না, প্রত্যেক নাগরিককে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।


