Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শিক্ষা ব্যবস্থা কোথায় পৌঁছে গেছে বুঝতে পারছেন তো। কলেজ ইউনিভার্সিটি গুলো রিসোর্ট তৈরি হয়েছে (Dilip Ghosh)। এটাই তো চলেছে কোন ইউনিয়ন নেই, কেউ যেতে পারবে না, ভর্তি হবে, অনলাইন ব্যবস্থার জন্য কত লড়াই করতে হয়েছে তারপরও হয়নি। এই যে টাকা পাওয়া যাচ্ছে কেন অনলাইনে যাতে না হয়, এক একটা কোর্সে ভর্তি করতে ৩০ থেকে ৬০ হাজার টাকা নেওয়া হতো, যেসব ভালো কোর্স আছে টা দিয়ে ভর্তি করা হতো। ইউনিভার্সিটি কলেজ গুলোর যদি এই পরিবেশ হয়, মেডিকেল কলেজের যদি ডাক্তারি ধর্ষিতা হয়ে যায়, কত নিচে নেমেছে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা। আর সেটা মমতা ব্যানার্জি সব জানেন। শুধু টাকা লুঠ করার জন্য এসব করেছে।

অস্ত্র উদ্ধার কলেজের মধ্যে থেকে? (Dilip Ghosh)
যেখানে হার্মাদদের আড্ডা হবে অ্যান্টি সোশ্যালদের আড্ডা হবে সেখানে হাতিয়ার থাকবে মদের বোতল থাকবে, বাকি সব থাকবে। কসবা ল কলেজে কি হলো? ওদের পার্টির কর্মীকেই নিজেদের পার্টির নেতা ধর্ষণ করল। এইতো কলেজগুলোর হাল। একটা দুটো প্রকাশ্যে আসছে বলে আপনারা জানতে পারছেন খবর করেছেন। প্রত্যেকটা ইউনিভার্সিটি কলেজে এই একই রকম পরিস্থিতি আছে। বাবা মায়েরা চিন্তা করতেন ছেলে-মেয়েদেরকে পাঠাবেন কিনা। তাই এখান থেকে বাংলার বাইরে সবাই চলে যেতে পড়াশোনা করতে।

শিয়ালদাহ স্টেশনের পাশ থেকে উদ্ধার একাধিক বার আগ্নেয়াস্ত্র
হসপিটাল কলেজ ইউনিভার্সিটি যেখানে মানুষ সন্দেহ করবে না সেখানে সব থেকে বেশি অকাজ কু কাজ হয়েছে। বোম বন্দুক থেকে টাকা পয়সা লুটপাট, মদ খাওয়া ফুর্তি এসব হতো। আপনি ভাবুন কি পরিস্থিতি হয়েছে। এত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আসা হয়েছিল নির্বাচনে লড়াই করার জন্য, নির্বাচন কমিশন কোন কিছুই করতে দিল না। এইসব হাতিয়ার পত্র তো আছেই। ছাপা মারলেই এই সবগুলোই পাওয়া যাবে।
অন্নপূর্ণা ভান্ডার শুরু আজ থেকে (Dilip Ghosh)
ফ্রিতে বাসযাত্রা আমরা শুরু করে দিয়েছি অন্নপূর্ণা ভান্ডারও আজ থেকে শুরু হয়ে যাবে। কয়েকদিনের মধ্যে জিরাঞ্জির 125 দিনের কাজ শুরু হবে। সব প্রসেসের মধ্যে রয়েছে ফান্ড এসে যাচ্ছে। এই মাসের মধ্যে বেশিরভাগ প্রকল্প চালু হয়ে যাবে।
হকার উচ্ছেদ ও কলেজস্ট্রিটের বইয়ের দোকান ভাঙচুরের ভুয়া খবর?
দেখুন ভুয়া খবর রটিয়ে মানুষকে খ্যাপানো ভয় চেষ্টা হচ্ছে কেউ ঘাবড়াবেন না। কোন গুজবে কান দেবেন না। সরকার একটা পলিসি নিয়ে এসেছে। ফুটপার্ট না থাকলে মানুষ যাবে কি করে। বৃষ্টির দিনে আমি দেখেছি রাস্তায় জল জমে থাকলে মানুষ ফুটপাত ব্যবহার করতে পারে না। মহিলারা পর্যন্ত বাধ্য হচ্ছেন কাপড় তুলে সেখান থেকে হাঁটতে। এটা কি কোন সভ্য সমাজের ছবি হতে পারে। তার জন্য যদি ফুটপাত খালি করা হয়, মানুষের হাঁটার জন্য এখানে কেউ কেউ সমবেদনা জানাতে চলে এসেছেন। যারা টাকা নিয়ে বসিয়েছেন তাদের কষ্ট হচ্ছে। রেলের প্লাটফর্ম সেটা ব্যবসা করার জায়গা নয়, আপনি সাউথ সেকশনে যান নট সেকশনে যান কোন প্ল্যাটফর্ম খালি দেখতে পাবেন না। দাঁড়াবার বসার জায়গা পাবেন না। এগুলো যদি সরানো হয় কেউ বাধা দিতে আছে তার উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদের সন্দেহ আছে। কিছু করা ডিসিশন আমাদেরকে নিতে হচ্ছে সেটা সবাইকে মানতে হবে।

দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এর কথা কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানতেন না?
কার কথা জানতেন না সোনারপুরে একটা গাঁজা খোর মাতাল বদমাশ লোক তার বাড়িতে উনি চলে গেলেন সে কি এমন ইম্পরট্যান্ট ছিল। পাড়ার সব লোককে জ্বালিয়ে রেখেছিল সে। তার মৃত্যু হয়েছে কারোর কোন কষ্ট নেই সে কিভাবে মারা গেল, মদ খেয়ে নাকি রাস্তায় পড়ে মারা গেল সে কেউ জানে না। সুইসাইড করেছে কিনা সেটাও কেউ জানে না। তার বাড়ি চলে যাচ্ছেন ড্রামা করতে। মানুষের ক্ষোভকে কেন উসকে দিচ্ছেন আপনি। সত্যি যদি কেউ মারা গিয়ে থাকে বাড়ি ছাড়া থাকে তাহলে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বলেছে ৩০ দিন পুলিশ দিয়ে সসম্মানে তাদেরকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে। কোথাও পাচ্ছেন না একটা মাতালের বাড়ি চলে গেলেন, যেমন লোক কাজ তেমন স্ট্যান্ডার। সেরকম তার নেতা সেরকম তার কর্মী।
আদি নব্য তৃণমূলের দ্বন্দ্ব?? কুনাল ঘোষের পোস্ট? (Dilip Ghosh)
কটাক্ষ করুন যাই করুন টিএমসিতে এখন একজনই বেঁচে আছেন তিনি হলেন কুনাল ঘোষ। দেশের জন্য লড়াই করছেন, রাস্তায় শুয়ে পড়ছেন দিদি হাওয়া এখনো খাচ্ছেন। যারা দিদির হাওয়া খেয়েছেন তারা কোথায় হাওয়া খাচ্ছে জানেন তো জেলে তারা এখন।। আমার মনে হয় এটা লাস্ট উইকেট চলছে। ৯ নম্বর ব্যাটসম্যান এখন নেমেছেন ব্যাটিং করতে। যিনি কুনাল ঘোষ তিনি টিএমসির হয়ে ব্যাটিং করছেন।

আরও পড়ুন: Pahalgam Pak: পহেলগাম হামলায় পাক যোগ! ৯/১১ হামলায় যুক্ত ব্যাঙ্কের নাম এল তদন্তে
তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর গ্রেফতার?
এত হিমশৈলের চূড়া মাত্র। হাজার কাউন্সিলর আছে পঞ্চায়েত প্রধান আছে কতজন অ্যারেস্ট হয়েছে সবকটা ক্রিমিনাল সবকটা সমাজবিরোধী, পাবলিক ধরছে। আমরা কাঠ মানির কথা বলতাম এটা নিয়ে হাসাহাসি হতো। আজকে ওদের নেতারা প্রকাশ্যে পাবলিককে ডেকে জনতা দরবার করে প্রকাশ্যে ক্যামেরার সামনে টাকা ফেরত দিচ্ছেন। কাঠ মানি লোকে জমিয়ে জাগায় নিয়ে অনেক টাকা নিয়েছেন। বাকি আইন দেখবে কি করার আছে। একটা কাউন্সিলর পঞ্চায়েত কেউ বাঁচবে না।



