Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই লাল দেখল তিন জন ফুটবলার। এই তিন জনকে লাল কার্ড দেখিয়ে চর্চায় ব্রাজিলের রেফারি (Wilton Sampaio)।
চর্চায় ব্রাজিলের ফেরারি (Wilton Sampaio)
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মুখমুখি হয় মেক্সিকো এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই ম্যাচেই জয় ছিনিয়ে নিয়ে মেক্সিকো সিটিতে উঠেছে মেক্সিকান ওয়েভ। তবে ম্যাচের পর চর্চায় ফুটবলার নয় বরং রয়েছেন এই ম্যাচের রেফারি। ব্রাজিলের রেফারি উইল্টন সাম্পাইও এই মুহূর্তে বিতর্কের মুখে। অনেকের মতে তাঁর কারণে নষ্ট হয়েছে বিশ্বকাপের স্বাভাবিক ছন্দ। একাধিক প্রশ্ন নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (Wilton Sampaio)।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে তিনি পরিচিত নাম। এক দশকের বেশি সময় ধরে তিনি ফিফার রেফারি। শুধু তাই নয় লাতিন আমেরিকার অন্যতম সারা রেফারি হিসেবেও বিবেচনা করা হয় তাঁকে আর সেই সাম্পাইকেই দেওয়া হয় বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব। ২০০৯ সালে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ম্যাচ পরিচালনা শুরু করেন তিনি। ফিফা ব্যাজ পান ২০১৩ সালে। কড়া ধাঁচের স্বভাবের জন্য বিশেষ ভাবে পরিচিত তিনি।
এর আগে গত দুই বিশ্বকাপেও তিনি ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব সামলেছেন। এছাড়াও কোপা আমেরিকার ম্যাচ ছাড়া বেশ কিছু বড় বড় আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি। কাতারে ইংল্যান্ড-ফ্রান্স কোয়ার্টার ফাইনালে তাঁর মুখে ছিল বাঁশি। সেই ম্যাচে তাঁর নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। বেশি কার্ড দেখানোর অভিযোগ রয়েছে সাম্পাইয়োর বিরুদ্ধে। বিতর্ক প্রায় নিত্যসঙ্গী তাঁর (Wilton Sampaio)।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে প্রথম লাল কার্ড আসে দ্বিতীয় হাফে। তবে সেই লাল কার্ড নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি। রূপমের গানে যেমন আছে ‘নীল রং ছিল ভীষণ প্রিয়’, অনেকেই সেই গানের সূত্র ধরে বলছেন ‘লাল রং ছিল ভীষণ প্রিয়’। অনেকের মতে এরপর দুটি লাল কার্ডের ক্ষেত্রে কিছুটা নরম হতেই পারতেন তিনি।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee FIR: উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের জোড়া এফআইআর!
১৯৮১ সালে ব্রাজিলের টেরেসিনা ডি গোয়াসে জন্মগ্রহণ করা সাম্পাইয়ও-কে নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা রকম মিমও। ম্যাচের রাশ সব সময় নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাওয়া ব্রাজিলীয় রেফারি গোটা বিশ্বকাপেই ফুটবলপ্রেমীদের নজরে থাকবেন। তবে এটাই সর্বোচ্চ লাল কার্ড নয় বা কার্ড বৃষ্টি নয়। এই রেকর্ড রয়েছে ২০০৬ সালের ব্যাটল অব ন্যুরেমবার্গে’র দখলে। পর্তুগাল-নেদারল্যান্ডসের সেই শেষ ষোলোর সেই ‘কুখ্যাত’ ম্যাচে দেখানো হয় চারটি লাল কার্ড এবং ১৬টি হলুদ কার্ড (Wilton Sampaio)।


