Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মান রক্ষার ম্যাচেও হার আফগানিস্তানের। ৯ উইকেটে জয় ভারতের।
আফগানিস্তানকে চুনকাম করল ভারত: দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছিল ভারত। নিয়ম রক্ষার ম্যাচেও জয় ছিনিয়ে নিল ভারতীয় দল। এই ম্যাচে সেই নূন্যতম লড়াইটাও ভারতের বিরুদ্ধে করতে পারলেন না আফগানরা। ২১৮ রানেইচ্ছে গুটিয়ে যায় আফগানিস্তানের ইনিংস। জবাবে যশস্বীর সেঞ্চুরি আর রোহিতের দাপুটে ইনিংসে ৯ উইকেটে সহজ জয় ছিনিয়ে নিল ভারত।
তবে এই কৃতিত্ব আরেকজনকে না দিলে সেটা অপরাধ। রোহিতদের আগেই পাঁচ উইকেট নিয়ে আফগানিস্তানের দুর্গ চূর্ণ করে দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ফলে ম্যাচ ছিল একতরফা। এই ম্যাচ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভারতের জয়ের ছবি স্পষ্ট হয়ে যায়।
শুরুর ১০ ওভারের মধ্যে চারটি উইকেট ফেলে দিয়ে আফগানিস্তানের ব্যাটিংয়ের পাঁজর ভেঙে দেন প্রসিদ্ধ। ওই ধাক্কা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি আফগানিস্তান। হার আরও লজ্জাজনক হত যদি না লড়াই করতেন শাহিদি, তিনি একাই দলের হাল টানতে থাকেন। কিছুটা সঙ্গত দেন আজমাতুল্লাহ ওমরজাই। শাহিদি টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ভাবতেও পারেননি চেন্নাইয়ের পিচে ধসে যাবেন তাঁরা। দ্বিতীয় ওভারে প্রসিদ্ধের বলে ফিরে যান রহমানুল্লাহ গুরবাজ (৫)। এর পর একে একে প্রসিদ্ধ তুলে নেন ইব্রাহিম জাদরান (১১), রহমত শাহ (৫) এবং দারউইশ রসুলিকে (১)। এক সময় তাঁর বোলিং ফিগার ছিল ৫-২-৬-৪। প্রথম দু’ওভার এক রানও খরচ করেননি তিনি।

সেখান থেকে আফগানিস্তানকে বাঁচাতে লড়তে নামে শাহিদি এবং ওমরজাই। দু’জনে মিলে পঞ্চম উইকেটে ১১৪ বল ১০৫ রানের জুটি গড়েন। শাহিদি অনেকটাই ধরে খেলছিলেন। তুলনায় চালিয়ে খেলছিলেন ওমরজাই। শেষ পর্যন্ত পাঁচটি চার এবং দু’টি ছয়ের সাহায্যে ৫৬ বলে ৫০ করে ফিরে যান তিনি। তবে শাহিদি নিজের শতরান পূর্ণ করেন। ম্যাচ না জিতলেও তিনি সম্মান জিতে নিয়েছেন। ১০২ রানে ফেরেন তিনি।
জবাবে ভারত যে ভাবে শুরু করেছিল, তাতে দেওয়াল লিখন তখনই স্পষ্ট হয়ে যায়। বাকিটা ছিল সময়ের অপেক্ষা। আবার পুরনো ফর্মে দেখতে পাওয়া গেল হিটম্যানকে। নিজের প্রিয় ফরম্যাটে দাপটের সঙ্গে খেললেন তিনি। আগের ম্যাচে অল্পের জন্য অর্ধশতরান পাননি। এ দিন সেটা পেতে ভুল করলেন না। এক সময় শতরানের দিকেও এগোচ্ছিলেন। কিন্তু আগ্রাসী শট খেলতে গিয়ে আউট হতে হল। ৯টি চার এবং ৩টি ছয়ের সাহায্যে ৬৯ বলে ৭৯ করেন রোহিত।
প্রথম উইকেটেই উঠে যায় ১৭০ রান। এর পর ম্যাচের আর কিছু ছিল না। রোহিতের অপূর্ণ কাজ করে যান যশস্বী। ৮৬ বলে ১১০ রানে অপরাজিত থাকেন। মেরেছেন ১৪টি চার এবং ৩টি ছয়। শ্রেয়স আয়ার অপরাজিত থাকেন ২০ রানে দলকে জিতিয়ে ফেরেন।


