Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: “আমার দাদা বিজেপি-এর একজন মুখপাত্র। এই মামলার শুনানি করার আগে সেই বিষয়টি জানাচ্ছি। আপনার এই মামলার এই বেঞ্চে শুনানি করতে কোনও সমস্যা হবেনা তো?” ভবানীপুরে মামলা শুরুর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বললেন বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত(Bhawanipur HC)।
শুনানির আগে বিচারপতির স্বীকারোক্তি (Bhawanipur HC)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১২ রাউন্ড পর্যন্ত গণনা ঠিক ছিল। ১৩ দফা শুরু হতেই শুভেন্দু অধিকারীর ইলেকশন এজেন্টরা ভিতরে প্রবেশ করেন। এবং অভাবনীয় পার্থক্য চোখে পড়ে। কাউন্টিং সেন্টারের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করা হোক। সেই আর্জি জানাচ্ছি।
শুনানির শুরুতে বিচারপতির স্বীকারোক্তির বিষয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন মাননীয় বিচারপতি আপনার উপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস আছে। ফলে আপনাকে নিয়ে আমাদের কোনও সমস্যা নেই। আমি মনে করি একজন যখন বিচারপতির আসনে বসে থাকেন তিনি তাঁর দায়িত্বজ্ঞান ও নৈতিকতা সম্পর্কে সচেতন থাকেন।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন রিটার্নিং অফিসার এর আগে ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের সময় দায়িত্বে ছিলেন। নির্বাচনের ২ মাস আগে তাঁকে এই কেন্দ্রে আনা হয়। তাঁকেই আবার মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে । ফলে এখানে পক্ষপাত হতে পারে কিনা আদালতই বিচার করুক। এখন রাজ্যের যিনি মুখ্যসচিব হয়েছেন তিনি চিফ ইলেকট্রোরাল অফিসার ছিলেন। এমনকি কিছু সময় ধরে তিনি দু’টো পদে সামলেছেন। সুব্রত গুপ্ত, যাঁকে স্পেশাল রোল অবজার্ভার করা হয়েছিল, তাঁকেই নির্বাচনের পরে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য পরামর্শদাতা করা হয়েছে। তাঁর পর্যবেক্ষণেই ৪৪ হাজার নাম আমার কেন্দ্র থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এই সমস্ত বিষয় রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে ১৫ হাজার ভোটে পরাজিত হন(Bhawanipur HC)।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন আমরা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার আর্জি জানাচ্ছি। ১২ দফার পর হঠাৎ করে ৮০% এর বেশি ভোট শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে যেতে শুরু করে। দুপুর ৩ টে নাগাদ শুভেন্দু অধিকারী কাউন্টিং সেন্টারে প্রবেশ করে ঝামেলা পাকাতে বলেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার সহযোগিতায় তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্টিং এজেন্টদের উপর আক্রমণ করা হয় বিজেপির কাউন্টিং এজেন্টদের দ্বারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ইলেকশন এজেন্টকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি(Bhawanipur HC)। ১২ রাউন্ডের পর কাউন্টিং এজেন্টদের মারধর করে বার করে দেওয়া হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিফ ইলেকশন এজেন্টকেও শারীরিক হেনস্থা করা হয়। কাউন্টিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। অভিযোগ জানাতে গেলে কাগজ কেড়ে নেওয়া হয়।



