Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে হাইতির বিরুদ্ধে ৪-২ গোলে জয় ছিনিয়ে নিল মরক্কো (Morocco)
দুরন্ত জয় মরক্কোর (Morocco)
হাইতির বিশ্বকাপ অভিযান আগেই শেষ হয়ে গেছিল। শেষ ম্যাচ ছিল তাঁদের মরক্কোর সঙ্গে আর সেই ম্যাচে আরেকটু হলেই ঘটতে পারত অঘটন। ছিটকে গেলেও শেষ লড়াই তাঁরা চালিয়ে গেল মরক্কোর বিরুদ্ধে (Morocco)।
লড়াই জোর হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। তবে টানটান ম্যাচে শেষ হাসি হাসল মরক্কো। পিছিয়ে পড়েও ৪-২ জয় পেয়ে বিশ্বকাপের রাউন্ড অফ ৩২-এ পৌঁছে গেল অ্যাটলাস লায়ন্সরা। তিন ম্যাচে সাত পয়েন্ট নিয়ে ‘C’ গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে থেকে নকআউটে গেলেন আচরাফ হাকিমি, সাইবারিরা। চলতি বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা একটি পারফর্ম্যান্স উপহার দিয়ে বিদায় নিল হাইতি, এই ম্যাচ ফুটবলপ্রেমীদের মনে থাকবে অনেকদিন।
ম্যাচের ১০ মিনিটের মধ্যে গোল করে সবাইকে চমকে দিয়েছিল হাইতি। লেনি জোসেফের দুর্দান্ত ব্যাকহিল বোনৌর গায়ে বল লেগে সেটা জালে জড়িয়ে যায়। তবে বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রাখেন সাইবারিরা। ৩৯ মিনিটে সমতা ফেরাতে সক্ষম হয় মরক্কো। এল খান্নুসের বিপজ্জনক বল প্লাসিদ বাঁচালেও পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি আর সেই ফিরতি বলে গোল করেন মরক্কোর ক্যাপ্টেন আচরাফ হাকিমি (Morocco)।
৪৩ মিনিটে আবার আঘাত হানে হাইতি। দুভার্নের আর একটি নিখুঁত পাস থেকে উইলসন ইসিদোর দূরপাল্লার শটে নজরকাড়া গোল করে এগিয়ে দেন হাইতিকে, সেই সময় যেন মাঠে হাইতি সমর্থকদের গর্জন আরও বাড়তে থাকে। অঘটনের অপেক্ষা করতে থাকেন তাঁরা। তবে হাফটাইমের আগেই ফের সমতায় ফেরে মরক্কো। সোফিয়ান আমরাবাতের বাড়ানো বল ধরে ডান প্রান্ত থেকে আক্রমণে ওঠেন হাকিমি। কাট-ব্যাক থেকে পাস দেন সাইবারিক আর সেই বল জালে জড়াতে কোনও ভুল করেননি এই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার
দ্বিতীয়ার্ধ যত এগিয়েছে, ততই হাইতির রক্ষণ ভাঙতে শুরু করেন মরক্কোর প্লেয়াররা। একটানা আক্রমণের ফসল মেলে ৭৮ মিনিটে। একটি কর্নার সঠিকভাবে ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হয় হাইতির ডিফেন্স। বল গিয়ে পড়ে পরিবর্ত হিসেবে নামা সৌফিয়ান রাহিমির সামনে। ক্লোজ রেঞ্জ থেকে গোল করতে ভুল করেননি তিনি। লিড নেয় মরক্কো। সেটাই বলা যায় ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়।
আরও পড়ুন: South Africa: অঘটনের বিশ্বকাপ, দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা
বিতর্কিত চতুর্থ গোল
ইনজুরি টাইমে আসে ম্যাচের শেষ গোল, যদিও এই গোল নিয়েই গোল বেঁধেছে। তৈরি হয়েছে বিতর্ক। হাইতির ডিফেন্ডাররা ভেবেছিলেন বল বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু খেলা চালিয়ে যান রাহিমি। তিনি বল বাড়িয়ে দেন ২০ বছর বয়সি গেসিমে ইয়াসিনকে। ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে দেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ ধরে ভার চেক করে ম্যাচ অফিসিয়ালরা নিশ্চিত করেন যে পুরো বল মাঠের বাইরে যায়নি। ফলে গোল বৈধ বলে ঘোষণা করা হয় এবং ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় মরক্কো। একদিকে বিতর্ক আর অন্যদিকে হাইতির লড়াই সব মিলিয়ে এই ম্যাচ স্মরণীয় হয়ে থাকবে (Morocco)।


