Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতা লিগে গতবারের চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) এবারেও জয়রথ শুরু করে দিয়েছে। বুধবার ঘরের মাঠে বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল স্পোর্টস অ্যাকাডেমিকে ৫-১ গোলে হারালো বিনো জর্জের ছেলেরা। এবারের লিগেও যে তারা শিরোপা ধরে রাখতে মরিয়া তা বলাই যায়। প্রথম ম্যাচে জর্জ টেলিগ্রাফকে হারিয়ে অভিযান শুরু করার পর, বুধবারের এই জয় ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) আক্রমণভাগের গভীরতা এবং ধারাবাহিকতাকে ফের একবার প্রমাণ করল।
আক্রমণাত্মক ফুটবল (East Bengal)
এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলে মশাল ব্রিগেড বিপক্ষকে কোণঠাসা করে ফেলেছিল। পিভি বিষ্ণু ও জেসিন টিকে-র মতো অভিজ্ঞ ফুটবলারদের উপস্থিতিতে ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) আক্রমণভাগ ছিল ধারালো। ম্যাচের ১০ মিনিটে বিষ্ণুর গোল দিয়ে শুরু হওয়া উৎসবের রেশ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৪ মিনিটে বিধাননগরের সুমিত মজুমদার সমতা ফেরালে কিছুটা নড়েচড়ে বসে লাল-হলুদ শিবির। কিন্তু সাময়িকভাবে ইস্টবেঙ্গল সমস্যায় পড়লেও তাদের ছন্দ নষ্ট করতে পারেনি।

বিষ্ণুর হ্যাটট্রিক (East Bengal)
ম্যাচের ২৬ মিনিটে পিভি বিষ্ণুর নেওয়া দুর্দান্ত ফ্রিকিকটি ছিল দিনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। গোলকিপারকে পরাস্ত করে করা সেই গোলটি ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal) কেবল এগিয়েই দেয়নি, বরং দলের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। এরপর প্রথমার্ধের অন্তিম মুহূর্তে ঘটে বিস্ফোরণ। সংযুক্ত সময়ে বিজয় মুর্মুর আত্মঘাতী গোল এবং তার ঠিক এক মিনিট পরেই বিষ্ণুর হ্যাটট্রিক সব মিলিয়ে বিরতির আগেই ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে ম্যাচ কার্যত নিজেদের পকেটে পুরে নেয় ইস্টবেঙ্গল।
আরও পড়ুন: WC Spain 2026: ফাইনালে কেন আর্জেন্টিনাকে চান ফুয়েন্তে?
দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গলের দাপট (East Bengal)
দ্বিতীয়ার্ধে বিধাননগর কিছুটা মরিয়া হয়ে গোল শোধের চেষ্টা করলেও, লাল-হলুদ রক্ষণভাগ ছিল দুর্ভেদ্য। বিনো জর্জের দলের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং বল দখলের লড়াইয়ে আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। আক্রমণের পর আক্রমণ শানালেও গোল পেতে কিছুটা সময় লেগেছে। শেষ পর্যন্ত ৮১ মিনিটে জেসিন টিকে-র গোল দলের স্কোরলাইনকে ৫-১ এ নিয়ে যায়।
বিধাননগরের মতো দলের বিরুদ্ধে এই বিশাল জয় মাঠের বাইরের সমর্থক এবং দর্শকদের জন্য ছিল দারুণ এক উপহার। স্টেডিয়ামে উপস্থিত রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সামনে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা যে পারফরম্যান্স উপহার দিলেন, তা আগামী ম্যাচগুলোতে দলের মোমেন্টাম ধরে রাখতে সাহায্য করবে।



