Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আইপিএল শেষ হওয়ার প্রায় দু’মাস অতিক্রান্ত। টুর্নামেন্টের সেরা মাঠের পুরস্কার হিসেবে ইডেন গার্ডেন্সের প্রাপ্ত ৫০ লক্ষ টাকার ভাগ-বাটোয়ারা ঘিরে বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থায় (CAB Price Money) মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। টালবাহানার জেরে এখনও পর্যন্ত এক টাকাও হাতে পাননি ইডেনের গ্রাউন্ডসম্যানরা। যাঁরা রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে দিনরাত এক করে আইপিএলের উপযোগী পিচ ও মাঠ প্রস্তুত করেছিলেন।
সিএবি-র অন্দরেই মতপার্থক্য (CAB Price Money)
বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে সিএবি-র (CAB Price Money) কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায়ের মতপার্থক্য। সিএবি ৫০ লক্ষ টাকার পুরস্কার মূল্য ৬০-৪০ অনুপাতে বিভক্ত করেছে। যেখানে ৬০ শতাংশ মাঠকর্মীদের জন্য এবং ৪০ শতাংশ সিএবি অফিস কর্মীদের জন্য ধার্য করা হয়েছে। সিএবি কর্মীদের অংশ ইতিমধ্যেই সমানভাবে বন্টিত হয়ে গিয়েছে। মাঠকর্মীদের ক্ষেত্রে বন্টন পদ্ধতি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ইডেন কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায়ের মত হল, আইপিএলের সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ২টো পর্যন্ত ইডেনের গ্রাউন্ডসম্যানরা যে পরিমাণ শারীরিক পরিশ্রম করেছেন, তার ভিত্তিতে সিংহভাগ অর্থ ইডেনের মাঠকর্মীদেরই পাওয়া উচিত। অতীতেও ইডেন সেরা মাঠের পুরস্কার পাওয়ার পর এই নিয়মই অনুসৃত হয়ে এসেছে বলে দাবি তাঁর।
সুজন মুখোপাধ্যায়ের দাবি (CAB Price Money)
অন্যদিকে, সিএবির ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, পুরস্কার মূল্যের ক্ষেত্রে কোনও বৈষম্য রাখা উচিত নয়। অন্যান্য মাঠের কর্মীরাও সেই সময় স্থানীয় ক্রিকেটের চাপ সামলেছেন, ফলে মাঠকর্মীদের মধ্যে টাকা সমানভাবে বন্টিত হওয়া উচিত। এরই মাঝে কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পাঁচ লক্ষ টাকা নিজের জন্য দাবি করার একটি গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও, তিনি তা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন। সুজন-ঘনিষ্ঠদের দাবি, তিনি উলটে মাঠকর্মীদের স্বার্থ রক্ষার্থেই সচেষ্ট।
আরও পড়ুন: Tiger Durand Cup: ডুরান্ড কাপে বল পায়ে বলিউড অভিনেতা! কোন দলে খেলবেন?
অপেক্ষায় মাঠকর্মীরা (CAB Price Money)
এই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং অচলাবস্থা কাটাতে খুব শীঘ্রই সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্যোগে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক বসার কথা রয়েছে। দ্রুত কোনও উপায় বের হবে বলেই আশা করা হচ্ছে। নীতি ও অঙ্কের এই দ্বৈরথে দিন আনা দিন খাওয়া সাধারণ মালি ও মাঠকর্মীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। পুরস্কারের সামান্য অর্থ হাতে পেলে দরিদ্র পরিবারগুলোতে যে খুশির হাওয়া বা স্বস্তি ফেরে, এই দীর্ঘসূত্রতায় আপাতত তাতেই ছেদ পড়েছে।



