Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পলাশ নস্কর: প্রতিনিয়ত রাজ্যের বিভিন্ন ইস্যু (MLA Dilip Ghosh) নিয়ে মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার কী জানালেন বিজেপি নেতা?
আর ভালো খারাপ নয়, সব তৃণমূলের জন্য দরজা খুলে দিল বিজেপি! (MLA Dilip Ghosh)
কেউ যদি তৃণমূলের কাউকে জয়েন করায় তার (MLA Dilip Ghosh) বিরুদ্ধে দল ব্যবস্থা নেবে। এখনও পর্যন্ত কেউ কাউকে জয়েন করায় নি। করানোর চেষ্টা করায় আড়াইশো বিজেপি কর্মীকে দলের তরফ থেকে শো কজ করা হয়েছে। ৩০ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কারুর জন্য কোনো দরজা খোলা হয়নি। দলের কোনো কর্মী এই ব্যাপারটা মানবে না। তারা এতদিন যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, যাদের জন্য তাদের বাড়িঘর চলে গেছে, হাত পা চলে গেছে, মাথা ফেটেছে, যে আড়াইশো কর্মী শহীদ হয়েছে, তাদেরকে মেনে নেব না।
বিজেপির নিচু তলার কর্মীদের ক্ষোভ বাড়ছে (MLA Dilip Ghosh)
ঘেঁষা ঘেঁসি (MLA Dilip Ghosh) হতেই পারে। আমার পাশের বাড়ির কোনো তৃণমূলের লোকের সঙ্গে আমি কথা বলব না? এই ধরনের রাজনীতি আমি অন্ততঃ করিনা। তৃণমূলের প্রচুর বিধায়ক সংসদের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক। এখন দলের কেউ কেউ ওদের ডাকাডাকি করছে। সর্বভারতীয় পার্টি আমাদের। তারা যদি ওখানে বসে কোনো সিদ্ধান্ত নেন সেটা আমরা মানব ঠিকই তবে তারাও তো এখানকার পরিস্থিতি জানেন। পার্টি বা বিজেপি ডুবে যাবে এমনটা তো নয়। সারাদেশে এইভাবেই বিজেপি চলে সরকার চলে সুশাসন দেয়।
অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চ সক্রিয় হল রাজ্যে, অ্যাকশন শুরু (MLA Dilip Ghosh)
সব জায়গায় একটা সিস্টেম (MLA Dilip Ghosh) চলে এসেছে। আমি আমার দফতরে ৩ বছরের বেশি একই জায়গায় যারা ছিল তাদের ট্রান্সফার করেছি। সাড়ে ১১০০ লোককে ট্রান্সফার করেছি। চিফ ইঞ্জিনিয়ারকে ট্রান্সফার করেছি। বহু বছর ধরে গণ্ডগোল চলছিল। পঞ্চায়েতি বিল নিয়ে এসেছি। দুর্নীতিগ্রস্থ পঞ্চায়েতের আর্থিক ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছি। সরকারি ভাবে যতটুকু করা সম্ভব করছি। সাধারণ মানুষকে বলেছি সবাই আইনের সাহায্য নিন। কমপ্লেন করুন। থানায় যান। বাড়ি গিয়ে কেউ ন্যায় দিয়ে যাবে না। তৃণমূলের এতো নেতা গ্রেফতার হয়েছে। কেউ না কেউ তো কমপ্লেন করেছে। কমপ্লেন না করে কেউ যদি সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখে তাহলে সে ভুল করছে।
নবান্নে অন্য কারণে খোলা হেল্পলাইন নম্বরে অন্নপূর্ণা ভান্ডার না পাওয়া নিয়ে গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ
নিজেরা কি পাবো সেটা নিয়েই সবার চিন্তা। দুর্নীতি কীভাবে বন্ধ হবে সেটা নিয়ে চিন্তা নেই। দুর্নীতির সঙ্গে প্রচুর লোক যুক্ত। বাড়ির প্ল্যান পাস করানো থেকে খাল বিল রাস্তা সর্বত্র টাকা নেওয়া হয়েছে। যে দিয়েছে আর যে নিয়েছে দুইপক্ষ সমান দোষী। সরকার নিজের কাজ করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী সবাই ঝাপিয়ে পড়েছেন। রাতারাতি কেউ যদি ভাবে সোনার বাংলা হয়ে যাবে তাদের ভুল হচ্ছে। এতো বছরের কাদা দুর করতে সময় লাগবে।
শিল্পের অমৃৎকাল, বললেন মুখ্যমন্ত্রী।
একেবারেই তাই। বাংলা একসময় স্বনির্ভর ছিল। তার থেকেও ভালো জায়গায় যাবে। এতদিন যে সরকার ছিল তাদের কাছে শিল্পের জমির হিসেব ছিল না। কোনো শিল্প নীতি ছিল না। কোনো পলিসি ছিল না। সরকার জমি খুঁজে বের করার জন্য একটা টিম তৈরি করেছে। আমার কাছেও লোক আসে। বিনিয়োগ করতে চায়। এটা পুজোর মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। আমাদের বহু জমি অপারেশন বর্গায় আটকে আছে। যারা শিল্প করবে তারা বড় প্লট চায়। সরকার জমি হস্তান্তর নিয়ে সঠিক পলিসি আনবে। এটা করতে সময় লাগবে।


