Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এবার দুর্গাপুজোয় এক ব্যতিক্রমী (Abhishek Banerjee) দৃশ্য ধরা পড়ল রাজনীতির মঞ্চে। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমবার পুজোর ক’দিন প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেল। শুধু তাই নয়, সঙ্গে ছিলেন তাঁর কন্যা আজানিয়াও। নবমীর দুপুরে ফুচকা খেতে দেখা গেল বাবা-মেয়েকে, আর সেই ছবিই ছড়িয়ে পড়ল সমাজ মাধ্যমে।
নিছক উৎসবের অংশ? (Abhishek Banerjee)
রাজনৈতিক মহলে অনেকেই মনে করছেন, অভিষেকের এই (Abhishek Banerjee) প্যান্ডেল ভ্রমণ নিছক উৎসবের অংশ ছিল না। বরং আগামী বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এটি একটি কৌশলগত জনসংযোগের পদক্ষেপ। অষ্টমী ও নবমীতে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার একাধিক বড় মণ্ডপে হাজির হন তিনি।
থিমে ছিল স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা! (Abhishek Banerjee)
বিশেষত, যেসব পুজো মণ্ডপে তিনি যান, সেগুলির থিমে ছিল (Abhishek Banerjee) স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা। কোথাও উঠে এসেছে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা, কোথাও বা বাঙালিদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অবদান। এমনকি, একাধিক পুজোয় তিনি সরাসরি পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের হাতে উপহারও তুলে দেন। এ সবই যে ভাবনাচিন্তার ফসল, তা নিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কোনও সন্দেহ নেই।
রাজ্য সরকারের পুজো কার্নিভাল
এখানেই শেষ নয়। পুজো শেষ হওয়ার আগেই তৃণমূল দলের তরফে শুরু হয়ে গেছে বিজয়া সম্মিলনীর প্রস্তুতি। ৫ অক্টোবর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। ওই দিনই রেড রোডে হবে রাজ্য সরকারের পুজো কার্নিভাল, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকছেন।
তৈরি তালিকা
তৃণমূল সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর থেকে ইতিমধ্যেই একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে-প্রায় ৫০ জন সাংসদ, বিধায়ক ও যুব নেতাকে রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে পাঠানো হবে বিজয়া সম্মিলনীতে অংশগ্রহণ ও বক্তব্য রাখার জন্য। উদ্দেশ্য, জনতার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরি করে ২০২৬ সালের নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করা।

বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চে শুধু রাজনৈতিক বক্তব্যই নয়, রাজ্য সরকারের পরিষেবামূলক প্রকল্পগুলির প্রচারও করা হবে। পাশাপাশি, রাজ্যে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত নতুন সমীক্ষা (SIR) নিয়ে বুথস্তরে কীভাবে কাজ করতে হবে, সে বিষয়েও দলের কৌশল ভাগ করে নেওয়া হবে নেতাদের মধ্যে।


