Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: এআই আমাদের প্রত্যেকদিনের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (AI)। ছোট থেকে বড়, সকলেই আমরা বিভিন্ন কাজের জন্য এআই ব্যবহার করি। তবে বিজ্ঞানের সবকিছুরই যেমন ভালো দিক আছে, তেমনই আছে অনেক অদৃশ্য খারাপ দিক। যা হয়তো আমরা নিজেরাও জানি না। সাধারণ জিজ্ঞাস্য থেকে কখন যে আমরা নিজেদের অজান্তেই এই এআই এর ওপর নির্ভর করতে শুরু করে ফেলেছি তা আমাদের জানা নেই।

এটি কি নিরাপদ? (AI)
এআই , জেমিনি, মেটা এবং অন্যান্যরা তাদের নিয়মকানুনে পরিবর্তন এনেছে। কিশোর-কিশোরী এবং শিশুরা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবহারকারী। তাদের জন্য সুরক্ষাব্যবস্থা চালু করেছে এআই কর্তৃপক্ষ। এগুলো কোম্পানির দায়িত্ব, নিজেদের পণ্যকে সকল ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ এবং নিরাপদ করে তোলা।

প্রযুক্তি নিয়ে প্রশ্ন (AI)
২০২৫ সালে এক ১৬ বছর বয়সী অ্যাডাম রেইন নামে এক কিশোর চ্যাটজিপিটির উপর অতিরিক্ত আত্মনির্ভরতার কারণে আত্মহত্যা করে। এরপর তার বাবা-মা এআই এর বিরুদ্ধে মামলা করেন। যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৫ সালে এক ১৬ বছর বয়সী তরুনী আত্মহত্যা করার আগে চ্যাটজিপিটি-কে এই সম্পর্কিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছিলেন। এই ঘটনাগুলো আবারও প্রশ্ন তোলে, এই প্রযুক্তিগুলো কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে। তবে এসবের আগে অভিভাবকদের নিজেদের এটা ভাবা উচিত যে, তারা তাদের সন্তানদের ব্যাপারে ঠিক কতটা জানেন বা আদৌ জানেন কিনা। সন্তানকে শাসন করতে গিয়ে সন্তানকে নিজের থেকে দূরে সরাচ্ছেন না তো তারা!
আরও পড়ুন: Nabanna: মানা হচ্ছে না অগ্নি সুরক্ষা বিধি, কলকাতার ৯১৯ হোটেল-গেস্ট হাউস বন্ধের নির্দেশ নবান্নের

অভিভাবকদের দায়িত্ব
অভিভাবকরা চাইলেই আজকাল বাচ্ছাদের উপর কিছু চাপিয়ে দিতে পারেন না। তাদের বকেঝকে, শাসন করে এসব থেকে দূরে রাখাটা একটু মুশকিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সন্তানদের শাসন করার ধরণও বদলেছে, এ ব্যাপারটা বুঝতে হবে অভিভাবকদের। তাদের জানতে হবে এই প্রযুক্তিগুলোর সীমাবদ্ধতা। অভিভাবকদের উচিৎ, তাদের সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ভাবে কথা বলে জানার চেষ্টা করা, তারা এআই-কে ঠিক কীভাবে ব্যবহার করছে। পাশাপাশি তাদের সন্তানদের এই এআই এর সীমাবদ্ধতাগুলো বোঝানোর দায়িত্ব নিতে হবে। তাদের বোঝা উচিৎ, নজরদারি করে এসব আটকানো সম্ভব না।



