Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেশের শেয়ার বাজারে পতনের ধারা বজায় থাকল সপ্তাহের শেষ ট্রেডিং সেশনেও (Share Market)। ট্রেডিং চলাকালীন দুই মূল স্টক এক্সচেঞ্জের বেঞ্চমার্ক ইনডেক্স ১ শতাংশের বেশি পড়ে গেলেও, বাজার বন্ধের সময় সেই পতনের মাত্রা কিছুটা কমতে দেখা গিয়েছে। সূচকগুলি দিনের সর্বনিম্ন স্তর থেকে ঘুরে দাঁড়ানোয় শেষ পর্যন্ত পতন কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
সেনসেক্স ও নিফটির ট্রেডিং চিত্র (Share Market)
শুক্রবার বাজার বন্ধের সময় বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সেনসেক্স ১২১ পয়েন্ট বা ০.১৬ শতাংশ কমে ৭৪,৭৮২ পয়েন্টে স্থিতি পায়। তবে দিনের ব্যস্ত সময়ে লেনদেন চলাকালীন সেনসেক্স ৭৪০ পয়েন্টের বেশি নিচে নেমে গিয়েছিল। অন্যদিকে, ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক নিফটি৫০ শুক্রবার ৭৯ পয়েন্ট বা ০.৩৪ শতাংশ কমে ২৩,৩৯৮ পয়েন্টে সপ্তাহের বাণিজ্য শেষ করেছে। দিনের মধ্যে নিফটি৫০ সূচকটিও প্রায় ২৫০ পয়েন্টের মতো পড়ে যায়। দিনের শেষ ভাগে সেনসেক্স ও নিফটি৫০ সূচক দুটি দিনের সর্বনিম্ন স্তর থেকে অনেকটাই ঘুরে দাঁড়াতে সমর্থ হলেও, এই পতন ও ওঠানামার জেরে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির সম্মিলিত বাজার মূলধন এক দিনেই ৬ লক্ষ কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে।
স্মল ক্যাপ, মিড ক্যাপ (Share Market)
মূল সূচকগুলির পাশাপাশি বাজারের সামগ্রিক পরিবেশও শুক্রবার যথেষ্ট দুর্বল ছিল। বিএসই-র স্মল ক্যাপ এবং মিড ক্যাপ সূচকগুলি প্রায় ১.৫ শতাংশের কাছাকাছি পয়েন্ট হারিয়ে লেনদেন শেষ করেছে। বাজার জুড়ে সেক্টরাল ইনডেক্সগুলির মধ্যে এক ধরনের মিশ্র পারফরম্যান্স দেখা গিয়েছে। সকালে একমাত্র নিফটি আইটি বাদে সমস্ত সেক্টরাল ইনডেক্স ডাউন হলেও, বাজার বন্ধের সময় আইটি-র পাশাপাশি প্রাইভেট ব্যাঙ্ক, ক্যাপিটাল মার্কেট, মিডিয়া, সার্ভিসেস এবং ফিনানশিয়াল সার্ভিস সেক্টর আবার পজ়িটিভে ফিরতে সক্ষম হয়। তবে শেষ পর্যন্ত নিফটি-তে রিয়েলটি, মেটাল, কমোডিটিজ়, অটো, অয়েল অ্যান্ড গ্যাস, এনার্জি এবং ডিফেন্সের মতো সেক্টরাল ইনডেক্সগুলি পতনের মুখেই থেকে গিয়েছে।
আরও পড়ুন: Share Market: টানা পতনের পর স্বস্তি! সবুজে ফিরল সেনসেক্স-নিফটি, কোন শেয়ারে লাভ-কোনটায় ক্ষতি?
শেয়ার বাজারে ধসের মূল কারণসমূহ (Share Market)
বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দালাল স্ট্রিটে এই পতনের পেছনে প্রধান কারণ হল পশ্চিম এশিয়ায় তৈরি হওয়া নতুন ভূ-রাজনৈতিক অশান্তি (Share Market)। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে, এবং ব্রেন্ট ক্রুডের দর প্রতি ব্যারেলে ১০৮ ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। ভারত জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে আমদানি নির্ভর হওয়ায় তেলের দরবৃদ্ধির এই ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব দেশের শেয়ার বাজারে পড়েছে। এর পাশাপাশি, শুক্রবার বিশ্বজুড়ে অধিকাংশ প্রথম সারির দেশের শেয়ার বাজারও লাল সংকেতে লেনদেন করছিল, যার যৌথ প্রভাব পড়ে ভারতীয় শেয়ার বাজারে।



