Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উৎসবের মরশুমে সাধারণ মানুষের পকেটে ফের বড়সড় ধাক্কা (Amul)। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেই এবার ঘি ও মাখনের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল দেশের অন্যতম জনপ্রিয় দুগ্ধজাত পণ্য প্রস্তুতকারক সংস্থা আমুল। বুধবার থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। ফলে পুজো-পার্বণ থেকে শুরু করে প্রতিদিনের রান্না, জলখাবার কিংবা মিষ্টি তৈরিতে ঘি-মাখন ব্যবহার করেন যাঁরা, তাঁদের খরচ আরও বাড়তে চলেছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির মাসিক বাজারের বাজেটে এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়ার আশঙ্কা।
এক কেজি ঘিয়ের দাম বাড়ল ৫০ টাকা! (Amul)
আমুলের নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ১ কেজি ওজনের এক কার্টন ঘিয়ের দাম এক ধাক্কায় ৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আগে যে ঘি কিনতে খরচ হত ৬৩০ টাকা, এখন তার জন্য ক্রেতাদের দিতে হবে ৬৮০ টাকা। অর্থাৎ একবারে বেশ খানিকটা অতিরিক্ত খরচের বোঝা চাপল ক্রেতাদের উপর। অন্যদিকে, ৫০০ গ্রাম ওজনের এক প্যাকেট মাখনের দামও ১৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে যার দাম ছিল ৩১০ টাকা, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩২৫ টাকা।
আমুল কাউ ঘির দামেও বড়সড় পরিবর্তন (Amul)
শুধু সাধারণ ঘি নয়, আমুল কাউ ঘির দামও বাড়িয়েছে সংস্থা। ৫০০ মিলিলিটারের পাউচের দাম ৩৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৭০ টাকা। অর্থাৎ এক ধাক্কায় ২০ টাকা বৃদ্ধি। অন্যদিকে, ১ লিটার পাউচের দাম ৬৯৫ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩৫ টাকা। পাশাপাশি, ১০০ গ্রাম ওজনের মাখনের প্যাকেটের দামও ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আগে ৬৩ টাকায় পাওয়া যেত এই প্যাকেট। এখন তার জন্য খরচ করতে হবে ৬৬ টাকা।
কেন বাড়ল ঘি-মাখনের দাম? (Amul)
আমুলের তরফে জানানো হয়েছে, দুধ উৎপাদনের খরচ বৃদ্ধি পাওয়াই এই মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ। পাশাপাশি বাজারে চাহিদা বেড়েছে। বেশ কিছু এলাকায় আমুলের গরুর দুধ থেকে তৈরি ঘিয়ের জোগানেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। উৎপাদন খরচ এবং বাজারের পরিস্থিতি বিবেচনা করেই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সংস্থার বক্তব্য।
আরও পড়ুন: Kolkata Development: লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটের আদলে সাজবে কলেজ স্ট্রিট, বদলাবে বইপাড়া
আগেই বেড়েছিল দুধের দাম, এবার বাড়তি চাপ
প্রসঙ্গত, এর আগেও দুধের দাম বাড়িয়েছিল আমুল। লিটারপিছু ২ টাকা করে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল। সেই সময় সংস্থার যুক্তি ছিল, গবাদি পশুর খাদ্য, দুধের প্যাকেজিং এবং জ্বালানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, দুধ সংগ্রহের ক্ষেত্রে কৃষকদের দেওয়া মূল্য ২০২৫ সালের মে মাস থেকে ৩.৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে বলেও জানিয়েছিল সংস্থা।



