Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্যপ্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের একাংশ ধসে (Bad Road Condition) পড়ায় সৃষ্টি হয়েছে ৩০ ফুট গভীর বিশাল গর্ত, যা স্থানীয় মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে, যখন সেতুর পাশে প্রায় ১০০ মিটার অংশের রাস্তা একপ্রকার নিচে ডুবে যায়। সৌভাগ্যবশত, সেই সময় কোনও যানবাহন ওই রাস্তায় চলাচল করছিল না এবং হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।
মান নিয়েও সংশয় প্রকাশ (Bad Road Condition)
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ধসের সময় রিটেনিং ওয়াল ভেঙে (Bad Road Condition) পড়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা সেতুর নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রশ্ন তুলে ধরেছে। ২০১৩ সালে নির্মিত এই সেতু এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বেহাল অবস্থায় ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া এই সেতুর অবস্থা এবং ন্যাশনাল হাইওয়ের মান নিয়েও সংশয় প্রকাশ পাচ্ছে।
বিস্তারিত তদন্ত (Bad Road Condition)
এমপিআরডিসি (মধ্যপ্রদেশ সড়ক উন্নয়ন কর্পোরেশন) এর আওতাধীন (Bad Road Condition) এই রাস্তা ইন্দোর, হোশঙ্গাবাদ, জবলপুর, জয়পুর, মন্ডলা ও সাগরের মতো বড় শহরগুলোর সাথে সংযুক্ত। এমপিআরডিসির কর্মকর্তারা জানান, ধসের কারণ খতিয়ে দেখার জন্য একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। ডিপার্টমেন্টাল সুপারভাইজার সোনাল সিনহা এনডিটিভিকে বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে, আরই (রিইনফোর্সড আর্থ) ওয়াল ভেঙে পড়েছে। পুরো ঘটনায় বিস্তারিত তদন্তের রিপোর্ট শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।”
টেন্ডার ২০২০ সালে বাতিল
এই সেতু বিল্ড-অপারেট-ট্রান্সফার (বিওটি) মডেলের মাধ্যমে নির্মিত হয়েছিল। নির্মাণ কাজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ট্রান্সট্রয় প্রাইভেট লিমিটেডের টেন্ডার ২০২০ সালে বাতিল করা হয়। এরপর থেকে কোনও সংস্থা এই অংশটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেয়নি। এমপিআরডিসি তৎকালীন সময়ে সরাসরি তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নিয়েছিল এবং প্রয়োজনে ছোটখাটো মেরামত কাজ আউটসোর্স করেছিল।
কাঠামোগত দুর্বলতা
প্রাথমিক কারিগরি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুখি সেওয়ানিয়া রেলওয়ে ওভার ব্রিজের পাশে আরই ওয়াল ধসে যাওয়ার পেছনে অনুপযুক্ত নিষ্কাশন ব্যবস্থা, কাঠামোগত দুর্বলতা বা পর্যাপ্ত পরিদর্শনের অভাব থাকতে পারে। এই বিষয়গুলো নিয়ে ইঞ্জিনিয়াররা তৎপর হয়ে তদন্ত করছেন।
আরও পড়ুন: October Bank Holiday: অক্টোবর মাসে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে কদিন?
ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তার ওই অংশে এখন ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে এই ঘটনা মধ্যপ্রদেশে সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের মান নিয়ে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত করেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, নিয়মিত পরিদর্শন ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই এ ধরনের ঘটনা ঘটে।


