Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সিরাজুল মিস্ত্রী : বসিরহাটের কঠুর এলাকায় একটি মাদ্রাসাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে (Basirhat Madrasa)। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরকারি অনুমোদন বা বৈধ পরিকাঠামো ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে সেখানে মাদ্রাসার কার্যকলাপ চলছিল। শেষ পর্যন্ত কোনও সরকারি নির্দেশের অপেক্ষা না করে গ্রামবাসীরাই উদ্যোগ নিয়ে সেটি বন্ধ করে দেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
মাদ্রাসার সঠিক নাম নিয়েই ধোঁয়াশা (Basirhat Madrasa)
স্থানীয়দের দাবি, আব্দুল রশিদ নামে এক ব্যক্তি এই মাদ্রাসাটি চালু করেছিলেন। তবে মাদ্রাসাটির সঠিক নাম কী, তার কোনও স্পষ্ট তথ্য স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকের কাছেই নেই। অভিযোগ, মাদ্রাসার নামে বিল ছাপিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হত। এমনকি গ্রাম, পার্শ্ববর্তী এলাকা, ভিন্রাজ্য এবং বিদেশ থেকেও অর্থ আসত বলে স্থানীয়দের দাবি। তবে সেই অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হত, তার কোনও স্বচ্ছ হিসাব স্থানীয়দের সামনে তুলে ধরা হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে।
শিশুদের ছবি দেখিয়ে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ (Basirhat Madrasa)
স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, গ্রামের কয়েকজন শিশুকে এবং আইসিডিএস কেন্দ্রের শিশুদের ডেকে এনে মাদ্রাসার ভিতরে বসিয়ে ছবি তোলা হত। পরে সেই ছবি দেখিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। অভিযোগের সত্যতা অবশ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
প্রাক্তন ছাত্রের বক্তব্যে আরও প্রশ্ন (Basirhat Madrasa)
মাদ্রাসার এক প্রাক্তন ছাত্রের দাবি, সেখানে নিয়মিত কোনও শিক্ষক ছিলেন না। তাঁর কথায়, ছাত্ররা নিজেরাই সেখানে এসে পড়াশোনা করত। পড়াশোনার ছবি তুলে বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়ে অর্থ সংগ্রহ করা হত বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
স্থানীয়দের দাবি (Basirhat Madrasa)
মাদ্রাসার কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকা অবস্থায় আব্দুল রশিদের জীবনযাত্রায় দৃশ্যমান পরিবর্তনও তাঁরা লক্ষ্য করেন। দামি মোটরবাইক থেকে চারচাকার গাড়ি, বিভিন্ন সম্পত্তি কেনা নিয়েও এলাকায় আলোচনা শুরু হয়। যদিও এসব সম্পত্তির সঙ্গে মাদ্রাসার অর্থের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তার প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।
আরও পড়ুন: Pakistan: ফের রক্তাক্ত বালোচিস্তান, পাক সেনার কনভয়ে ভয়ংকর হামলা
গ্রামবাসীর উদ্যোগেই বন্ধ প্রতিষ্ঠান
একাধিক অভিযোগ সামনে আসার পর স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি নিয়ে সরব হন। শেষ পর্যন্ত তাঁদের উদ্যোগেই মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে আব্দুল রশিদ এলাকায় নেই বলেও স্থানীয়দের দাবি।



