Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পলাশ নস্কর: রাজ্যের একাধিক জ্বলন্ত ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। (BJP Dilip Ghosh)
বীরভূমে টাকার পাহাড় সম্পর্কে তিনি বলেন, (BJP Dilip Ghosh)
“কেষ্ট মণ্ডলের চ্যালারা তো এরকমই (BJP Dilip Ghosh) হবে। সাড়ে ৫০০ কোটি টাকার কমপ্লেন তো কেষ্ট মণ্ডলের বিরুদ্ধে আছে। ওনার চ্যালা চামুন্ডার কাছে এইটুকু টাকা তো থাকবেই। কিভাবে লুঠ হয়েছিল ভাবুন। কেন বীরভূম গরিব। কেন মুর্শিদাবাদ গরিব। সারা দেশের চোখে এই দুটি গরিব জেলা। কেন গরিব এবার বোঝা যাচ্ছে। ওই জেলার সম্পদ লুঠ করা হয়েছে। সাধারণ জনতা গরিব আছে। খোঁজ খবর বিচার শুরু হয়ে গেছে। আরও বেরোবে। যোগ্য শাস্তি সবাই পাবে।”
ভালো তৃণমূল হয়ে অনেকেরই লাভ হল না, (BJP Dilip Ghosh)
“আমি তৃণমূলে ভালো খারাপ (BJP Dilip Ghosh) দেখিনা। তৃণমূলটাই খারাপ। তাই মানুষ বিদায় দিয়েছে। এরা অন্যায় করে যেখানেই যাক এমনকি স্বর্গে গেলেও লাভ হবে না।”
কাটমানি তোলাবাজি বন্ধ হতেই রাজ্যে বাড়ল রাজস্ব আদায়। বললেন মুখ্যমন্ত্রী। (BJP Dilip Ghosh)
“এতদিন আদায় হতো (BJP Dilip Ghosh) না। পঞ্চায়েতে বাড়ির ট্যাক্স দিতে গিয়ে বলছে বাড়ি হচ্ছে না। তার লিঙ্ক নেই। কে চালায় ঠিক নেই। ইচ্ছাকৃত ভাবে টাকাপয়সা দিয়ে সেটিং করে সব করা হয়েছে। এতো জমি বাড়ি বিক্রি বা হস্তান্তর। তাও রাজস্ব আসেনি। কয়লা বালি ট্রান্সপোর্ট সব লুঠ হতো। সেগুলি বন্ধ হতেই সরকারের ঘরে টাকা আসতে শুরু করেছে। দিল্লির টাকা আসত। লুঠ হয়ে যেত। উন্নয়ন থেকে অনেক দূরে ছিল পশ্চিমবঙ্গ। এবার গতি আসবে।”
মিড ডে মিলে ডিম বহাল।
“ইস্কন ঠিক করবে না কি খাওয়ানো হবে। তারা একটা এজেন্সি। আগেও এরকম এজেন্সি ছিল। তখন ডিম নেতারা খেয়ে নিত। তখন কেউ কিছু বলেনি কেন? ডিম হরিণঘাটা সাপ্লাই দেয়। সরকার যদি মনে করে পুষ্টিকর খাবার হিসেবে ডিম দেবে তাহলে দেবেই। নিশ্চই ডিম খাওয়ানো হবে।”
টুলু মণ্ডলের মেয়ের বিয়ের বাজেট দেড়শো কোটি।
“টুলু মণ্ডল বিখ্যাত ব্যক্তি। সবাই চেনে। কয়লা খাদান এবং কোল বেল্টে পরিচিত নাম। অনেক নেতাকে খুশি রাখত। নিজেও করে খেত। তৃণমূল এরকম অনেক এজেন্ট ফিক্স করেছিল। পুলিশও করেছিল। এরা ফিক্স করে পুলিশের হাতে দিত। পুলিশ সেটা নবান্ন এবং কালীঘাটে পাঠাত। এখন সব লিঙ্ক কেটে গেছে। সব একস্পোজ হয়ে গেছে। এখন পুলিশ নিজেই অ্যাকশন নিচ্ছে।”
আরও পড়ুন: ECI: ইসিআইকে চিঠি তৃণমূলের, দ্রুত তদন্ত শেষ করার আর্জি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে টুলু মণ্ডল। একেকটা অধ্যায়।
“আরও আছে। আপনারা জানেন না। অনেকে লাস্ট বেঞ্চে বসে আছে। সেগুলোর ওজন আরও ভারী।


