Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
প্রতিবেদন অভ্রদ্বীপ দাস: রাজ্যের নতুন সরকার গঠনের পর অবশেষে প্রকাশিত হলো মন্ত্রিসভার পূর্ণাঙ্গ তালিকা। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর শ্রী শুভেন্দু অধিকারী গুরুত্বপূর্ণ একাধিক দফতর নিজের কাছেই রেখে প্রশাসনের মূল নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখার বার্তা দিয়েছেন। পাশাপাশি অভিজ্ঞ ও নবীন নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে একটি বিস্তৃত মন্ত্রিসভা, যেখানে উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহল, শহর থেকে গ্রাম সব অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এই মন্ত্রিসভার বিশেষত্ব হলো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, কৃষি এবং প্রশাসনিক সংস্কারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতাকে কৌশলগত দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে (Cabinet Ministers)।

মুখ্যমন্ত্রীর হাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতর (Cabinet Ministers)
মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের পাশাপাশি ভূমি ও ভূমি সংস্কার, শরণার্থী ত্রাণ ও পুনর্বাসন, বিদ্যুৎ, তথ্য ও সংস্কৃতি, কর্মী ও প্রশাসনিক সংস্কারসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব নিজের কাছে রেখেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, আইনশৃঙ্খলা, প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি নীতিনির্ধারণে সরাসরি নজরদারি বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উত্তরবঙ্গ ও গ্রামীণ উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব (Cabinet Ministers)
উত্তরবঙ্গের উন্নয়নকে সামনে রেখে নিশীথ প্রামাণিককে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দিলীপ ঘোষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি বিপণন দপ্তর। গ্রামীণ অর্থনীতি ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এই দপ্তরগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
শিক্ষা খাতে নতুন মুখ (Cabinet Ministers)
স্কুল শিক্ষা, আবাসন এবং MSME ও বস্ত্র দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন দীপক বর্মন। উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে। পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে থাকছেন ড. হরেকৃষ্ণ বেরা। বর্তমান কর্মসংস্থানের বাজারে দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার ইঙ্গিত মিলছে এই বণ্টনের মাধ্যমে।
অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্যে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব
অর্থ দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন স্বপন দাশগুপ্ত। রাজ্যের আর্থিক পরিকল্পনা ও বাজেট পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ দফতরের দায়িত্বে রয়েছেন তাপস রায়। তাঁর সঙ্গে শিল্প পুনর্গঠন এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রও যুক্ত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং শিল্পায়নের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্য পরিষেবায় জোর (Cabinet Ministers)
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন ড. শরদ্বৎ মুখার্জী। তাঁর সহযোগী হিসেবে প্রতিমন্ত্রী পদে রয়েছেন সুমনা সরকার। অন্যদিকে জনস্বাস্থ্য কারিগরি (PHE) এবং পূর্ত দপ্তরের দায়িত্বে রয়েছেন ড. অজয় কুমার পোদ্দার। স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়ন, বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ এবং সরকারি হাসপাতালের আধুনিকীকরণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে।

নগর উন্নয়ন ও পরিকাঠামোয় নতুন পরিকল্পনা
নগর উন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। দ্রুত নগরায়ন, স্মার্ট সিটি প্রকল্প এবং পৌর পরিষেবার উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। সেচ ও জলপথ দপ্তরের দায়িত্বে রয়েছেন অরূপ কুমার দাস, যা কৃষি ও জল ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।
কৃষি, খাদ্য ও সমবায় খাতে ভারসাম্য (Cabinet Ministers)
কৃষি দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দুধকুমার মণ্ডল। খাদ্য ও সরবরাহ এবং সমবায় দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অশোক কীর্তনিয়াকে। কৃষি উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং কৃষকবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে এই দপ্তরগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান গবেষণায় জোর (Cabinet Ministers)
তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যানপালন দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন ড. কল্যাণ চক্রবর্তী। ডিজিটাল অবকাঠামো, স্টার্টআপ সংস্কৃতি এবং গবেষণাভিত্তিক শিল্প বিকাশে এই দপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
মহিলা, শিশু ও সমাজকল্যাণে স্বাধীন দায়িত্ব
স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মালতী রাভা রায়কে দেওয়া হয়েছে মহিলা ও শিশু বিকাশ, সমাজকল্যাণ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং স্বনিযুক্তি দফতরের দায়িত্ব। নারী ক্ষমতায়ন ও স্বনির্ভরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই দপ্তরগুলিকে একসঙ্গে রাখার সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
যুব, ক্রীড়া ও মৎস্য খাতে পৃথক গুরুত্ব (Cabinet Ministers)
ড. ইন্দ্রনীল খাঁ যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দফতরের পাশাপাশি উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন। অন্যদিকে প্রাণী সম্পদ বিকাশ এবং মৎস্য চাষ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজেশ মাহাতোকে। রাজ্যের গ্রামীণ অর্থনীতিতে পশুপালন ও মৎস্যচাষের গুরুত্ব বিবেচনা করেই এই দপ্তরগুলিকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রীদের মাধ্যমে প্রশাসনিক সমন্বয়
মন্ত্রিসভার পাশাপাশি ১৯ জন প্রতিমন্ত্রীকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দফতরে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জুয়েল মুর্মু, আনন্দময় বর্মন, অশোক দিন্দা, বিশাল লামা, মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র, পূর্ণিমা চক্রবর্তী, কৌশিক চৌধুরী, গার্গী দাস ঘোষ, বিরাজ বিশ্বাস, দীপঙ্কর জানা এবং সুমনা সরকারসহ আরও অনেকে। প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়ানো এবং বিভিন্ন দফতরের কার্যক্রমকে তৃণমূল স্তর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রতিমন্ত্রীদের এই বিস্তৃত দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন : Jennifer Winget: নতুন জীবনের পথে জেনিফার? জোর চর্চা বিনোদন মহলে
রাজনৈতিক বার্তা কী? (Cabinet Ministers)
নতুন মন্ত্রিসভার দিকে তাকালে স্পষ্ট যে সরকার প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, আঞ্চলিক ভারসাম্য এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব এই তিনটি বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল, শহরাঞ্চল ও গ্রামীণ এলাকার নেতাদের মধ্যে দফতর বণ্টন করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীদের সম্পূর্ণ তালিকা (Cabinet Ministers)
১. শ্রী শুভেন্দু অধিকারী (মুখ্যমন্ত্রী): স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তর, ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং শরণার্থী ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর, বিদ্যুৎ দপ্তর, তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তর, কর্মী ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর এবং অন্যান্য সমস্ত দপ্তর যা অন্য কোনো মন্ত্রীকে বরাদ্দ করা হয়নি।
২. শ্রী নিশীথ প্রামাণিক: উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর এবং জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দপ্তর।
৩. শ্রী অশোক কীর্তনিয়া: খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর এবং সমবায় দপ্তর।
৪. শ্রী দিলীপ ঘোষ: পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দপ্তর এবং কৃষি বিপণন দপ্তর।
৫. শ্রী ক্ষুদিরাম টুডু: উপজাতি উন্নয়ন দপ্তর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর।
৬. শ্রীমতী অগ্নিমিত্রা পাল: নগর উন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দপ্তর।
৭. শ্রী দীপক বর্মন: স্কুল শিক্ষা দপ্তর, আবাসন দপ্তর এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (MSME) এবং বস্ত্র দপ্তর।
৮. শ্রী তাপস রায়: শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ দপ্তর, সরকারি উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন দপ্তর এবং অ-প্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস দপ্তর।
৯. ড. শঙ্কর ঘোষ: সংসদীয় বিষয়ক দপ্তর এবং পর্যটন দপ্তর।
১০. শ্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ: বন দপ্তর এবং পরিবেশ দপ্তর।
১১. শ্রী অর্জুন সিং: শ্রম দপ্তর এবং পরিবহন দপ্তর।
১২. শ্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ: অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর এবং গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দপ্তর।
১৩. শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়: উচ্চশিক্ষা দপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তর।
১৪. শ্রী স্বপন দাশগুপ্ত: অর্থ দপ্তর।
১৫. ড. কল্যাণ চক্রবর্তী: তথ্য প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স দপ্তর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং বায়োটেকনোলজি (জৈবপ্রযুক্তি) দপ্তর এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যানপালন দপ্তর।
১৬. ড. শরদ্বৎ মুখার্জী: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর।
১৭. শ্রী অরূপ কুমার দাস: সেচ ও জলপথ দপ্তর।
১৮. ড. অজয় কুমার পোদ্দার: জনস্বাস্থ্য কারিগরি (PHE) দপ্তর এবং পূর্ত (PWD) দপ্তর।
১৯. শ্রী দুধকুমার মণ্ডল: কৃষি দপ্তর।
স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী
১. শ্রীমতী মালতী রাভা রায়: মহিলা ও শিশু বিকাশ এবং সমাজকল্যাণ দপ্তর, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি দপ্তর এবং কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ দপ্তর।
২. শ্রী রাজেশ মাহাতো: প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর এবং মৎস্য চাষ দপ্তর।
৩. ড. ইন্দ্রনীল খাঁ: যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর এবং উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর।
আরও পড়ুন : Jennifer Winget: নতুন জীবনের পথে জেনিফার? জোর চর্চা বিনোদন মহলে
প্রতিমন্ত্রী
১. শ্রী জুয়েল মুর্মু: উপজাতি উন্নয়ন দপ্তর এবং সেচ ও জলপথ দপ্তর।
২. ড. হরেকৃষ্ণ বেরা: উচ্চশিক্ষা দপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তর।
৩. শ্রী আনন্দময় বর্মন: পরিবহন দপ্তর এবং অর্থ দপ্তর।
৪. শ্রী অশোক দিন্দা: কৃষি বিপণন দপ্তর এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (MSME) ও বস্ত্র দপ্তর।
৫. শ্রী নাদিয়ার চাঁদ বাউরি: পূর্ত দপ্তর এবং অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর।
৬. শ্রী বিশাল লামা: স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর।
৭. শ্রী শান্তনু প্রামাণিক: খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দপ্তর।
৮. শ্রীমতী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র: শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ দপ্তর এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং বায়োটেকনোলজি (জৈবপ্রযুক্তি) দপ্তর।
৯. শ্রী উমেশ রাই: সংসদীয় বিষয়ক দপ্তর এবং নগর উন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দপ্তর।
১০. শ্রীমতী পূর্ণিমা চক্রবর্তী: তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তর এবং পর্যটন দপ্তর।
১১. শ্রী কৌশিক চৌধুরী: স্কুল শিক্ষা দপ্তর এবং দমকল ও জরুরি পরিষেবা দপ্তর।
১২. শ্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য: জনস্বাস্থ্য কারিগরি (PHE) দপ্তর এবং শ্রম দপ্তর।
১৩. শ্রী দিবাকর ঘরামি: সমবায় দপ্তর, বন দপ্তর এবং পরিবেশ দপ্তর।
১৪. শ্রী অমিয় কিস্কু: খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যানপালন দপ্তর এবং কৃষি দপ্তর।
১৫. শ্রীমতী কলিতা মাজি: আবাসন দপ্তর।
১৬. শ্রীমতী গার্গী দাস ঘোষ: বিদ্যুৎ দপ্তর এবং অ-প্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস দপ্তর।
১৭. অ্যাডভোকেট বিরাজ বিশ্বাস: আইন দপ্তর, বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) দপ্তর এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর।
১৮. শ্রী দীপঙ্কর জানা: ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং শরণার্থী ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর এবং সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তর।
১৯. শ্রীমতী সুমনা সরকার: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর।



