Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের দ্রুতগতির কুইক-কমার্সে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত ১০ মিনিটে ডেলিভারি প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসতে শুরু করেছে দেশের শীর্ষ কুইক-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলি(Delivery)। কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্যর ধারাবাহিক হস্তক্ষেপের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। লক্ষ্য একটাই গিগ কর্মী ও ডেলিভারি পার্টনারদের নিরাপত্তা ও কাজের পরিবেশ উন্নত করা।
ডেলিভারি সময়সীমা তুলে নেওয়ার আহ্বান (Delivery)
সূত্র জানাচ্ছে, মান্ডব্য ব্লিঙ্কিট, জেপ্টো, জোমাটো ও সুইগির মতো বড় ডেলিভারি সংস্থাগুলির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। সেখানে তিনি ডেলিভারি সময়সীমা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানান। সরকারের মতে, অতিরিক্ত দ্রুত ডেলিভারির চাপ ডেলিভারি কর্মীদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ড্রাইভিং প্রবণতা বাড়াচ্ছে এবং মানসিক চাপও সৃষ্টি করছে, বিশেষ করে জনবহুল শহরগুলিতে।
উঠছে ১০ মিনিটে ডেলিভারির দাবি (Delivery)
এরই মধ্যে ব্লিঙ্কিট সরকারের নির্দেশ কার্যকর করেছে। সংস্থাটি তাদের ব্র্যান্ডিং ও প্রচার থেকে “১০ মিনিটে ডেলিভারি” দাবি সরিয়ে দিয়েছে। আগে যেখানে ট্যাগলাইন ছিল “১০,০০০+ পণ্য ১০ মিনিটে ডেলিভারি”, সেখানে এখন লেখা হচ্ছে “৩০,০০০+ পণ্য আপনার দোরগোড়ায়”। অন্যান্য প্ল্যাটফর্মও শিগগিরই একই পথে হাঁটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অধিক নিরাপত্তা, সুরক্ষার নিশ্চয়তা (Delivery)
সরকারি আধিকারিকদের মতে, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল গিগ ও প্ল্যাটফর্ম কর্মীদের জন্য অধিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং মানবিক কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা। সাম্প্রতিক সময়ে অনেক ডেলিভারি কর্মী অভিযোগ তুলেছেন, অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্ডার পৌঁছানোর চাপ তাদের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
ই-শ্রম পোর্টাল চালু (Delivery)
এই উদ্যোগ বৃহত্তর সরকারি পরিকল্পনারই অংশ। শ্রম মন্ত্রক ইতিমধ্যেই ই-শ্রম পোর্টাল চালু করেছে, যার মাধ্যমে অসংগঠিত ও প্ল্যাটফর্ম কর্মীদের একটি জাতীয় ডেটাবেস তৈরি হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক সুবিধা পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে।
কুইক-কমার্স শিল্পে বড় মোড়
শিল্পমহলের একাংশের মতে, দ্রুত ডেলিভারি ভবিষ্যতেও প্রতিযোগিতার একটি দিক হয়ে থাকবে, তবে এখন সংস্থাগুলিকে গ্রাহকের প্রত্যাশা ও অপারেশনাল কৌশল নতুন করে ভাবতে হবে। ১০ মিনিটের ডেলিভারি প্রতিশ্রুতি বাতিল হওয়া ভারতের কুইক-কমার্স শিল্পে এক বড় মোড় বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



