Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: “কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো (Dipsita Dhar) তারে বলে গাঁয়ের লোক।” সত্যিই তাঁকে একাধিকবার কালো বলে কটাক্ষ করেছে বিরোধী দলের নেতারা। গায়ের রং নিয়ে কটূক্তি শুনেই বড় হয়েছেন তিনি। তবু হার মানেননি। এসব তুচ্ছ বিষয়কে ফেলে লাল ঝান্ডা ধরে হাল ফেরাতে উদ্যত। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দমদম উত্তর থেকে সিপিআইএম-এর প্রার্থী করা হয়েছে দীপ্সিতা ধরকে।
বিধানসভা নির্বাচনের জন্য রাস্তায় বেরিয়ে (Dipsita Dhar) জনসংযোগ তো তিনি করছেন বটেই, তাঁর সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়াতেও চলছে জোরকদমে প্রচার। ‘DD’-কে বলো নামে সাধারণ মানুষের সমস্যা শোনার জন্য হেল্পলাইন চালু করেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে নেটপাড়ার বাসিন্দাদের তিনি বলেছেন, যেখানে যা সমস্যা, সব ভিডিও রেকর্ড করে তাঁকে ট্যাগ করে পোস্ট করতে। ফলে নির্বাচনী প্রচারে খামতি নেই কিছুই। তবে দীপ্সিতা কতটা লালের হাল ফেরাতে পারবেন? কেটিভি বাংলার সঙ্গে একান্ত নির্বাচনী সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নেত্রী।
২১ সালের লোকসভা নির্বাচনের থেকেও কী ২৬ এর বিধাসভা নির্বাচন কঠিন? (Dipsita Dhar)
প্রতিটা নির্বাচনের আলাদা ন্যারেটিভ থাকে। আমরা তো ব্যক্তির লড়াই করিনা, আমরা রাজনীতির লড়াই করি। আমরা শুধু রাজনীতির লড়াই করি।
ভোট পার্সেন্টেজের এই ওঠানামা, রাজ্যে এত শাসক বিরোধী ইস্যু থাকতে, বামেদের রক্তক্ষরণ কেন এত অব্যাহত?
আমার তা মনে হয় না। ১৯ সালের থেকে ২১ সালে, এবং তারপর থেকে আমাদের ভোট পার্সেন্টেজ বেড়েছে। পঞ্চায়েত ভোটেও মানুষ যেখানে পেরেছে ভোট দিয়েছে। মানুষ সুযোগ পেলে আমাদের ভোট দিতে চায়। এই এলাকার পুর ভোটের কথা আমরা জানি। অবাধে লুঠতরাজ হয়েছিল। ১৯ সালে আমাদের ব্যাপক সেটব্যাক হয়েছিল, ২১ থেকে সেটার রিকোভারি হয়েছে, ২৬ সালে আমরা সেই অবস্থান আরও স্পষ্টভাবে দেখবো।

আরও পড়ুন: UP News: রসগোল্লা খেতে চাওয়াই বিপদ, ক্যাটারার উনুনে ছুঁড়ে দিল বাচ্চা ছেলেকে
মানুষের কী কী অভিযোগ, কতটা স্বতঃস্ফূর্ত রেস্পন্স পাচ্ছেন?
মানুষের তো প্রধান সমস্যা রাস্তাঘাট, নিকাশি ব্যবস্থা,পুর হাসপাতালের বেহাল দশা, স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যুব সমাজ বলছেন তারা কর্মসংস্থান চায়, শুধু বেকার ভাতার লাইনে দাঁড়াতে চায়না। স্বাস্থ্যদুর্নীতি আছেই। এই এলাকার মানুষ কষ্টে আছেন, তারা পরিবর্তন চাইছে।
পুরো ভিডিওটি দেখুন-


