Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতায় এসআইআর (সার্ভে ইনডোর রোল) কার্যক্রম নিয়ে প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে। ভোটারদের বাড়ি ঘুরে ঘুরে কী কাজ করতে হবে, কীভাবে এনুমারেশন ফর্ম বিতরণ ও সংগ্রহ করতে হবে—সবকিছু শেখার জন্য বিএলওদের(BLO) প্রশিক্ষণ শিবির শুরু হয়েছে। কলকাতার কলেজস্ট্রিটের ডিরোজিও হল এবং জেসপ বিল্ডিংয়ের তিনতলার কনফারেন্স হলে এই প্রশিক্ষণ চলছে।
প্রশিক্ষণ শিবিরের সময়সূচি(BLO)
কলেজস্ট্রিটের ডিরোজিও হল এবং জেসপ বিল্ডিংয়ের তিনতলার কনফারেন্স হলে চলছে প্রশিক্ষণ শিবির। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা এবং দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত দু’দফায় ডিরোজিও হলে চলবে প্রশিক্ষণ। প্রথম দফায় ডিরোজিও হলে চৌরঙ্গী, বেলেঘাটা এবং জোড়াসাঁকো বিএলওদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এন্টালি, শ্যামপুকুর, কাশীপুর-বেলগাছিয়ার বিএলওদের। মানিকতলার বিএলওদের প্রশিক্ষণের বন্দোবস্ত করা হয়েছে জেএসপ বিল্ডিংয়ে।
ধাপে ধাপে প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া(BLO)
রাজ্যে মোট ৯০ হাজার বুথ রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, বিএলএ(BLO) ১ এবং বিএলএ ২-রা সহায়তা করবেন বিএলওদের। রাজ্যের সিইও দফতর থেকে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এরপর তারা ইআরও ও এইআরওদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। এবার পালা বিএলওদের প্রশিক্ষণের। প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে গণনা, প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা, এবং বিএলও সফটওয়্যার ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর, আগামী ৪ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএলওরা(BLO)ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিতরণ করবেন। যারা রাজ্যের বাইরে থাকবেন বা প্রবাসী, তারা অনলাইনের মাধ্যমে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: WB Weather Update: সাগরে ঘনাচ্ছে নতুন নিম্নচাপ, সপ্তাহান্তে ফের ভিজবে একাধিক জেলা
খসড়া ভোটার তালিকা ও অভিযোগ প্রক্রিয়া
খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ৯ ডিসেম্বর। যদি কেউ তাতে ভুল বা অভিযোগ দেখতে পান, তবে ৯ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এরপর ৯ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত অভিযোগের খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়া চলবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে। এই প্রশিক্ষণ ও এনুমারেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজ্যের ভোটার তালিকা আরও সঠিক ও নির্ভুল হবে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে, বিএলওদের এই কার্যক্রমের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে দ্রুত এবং স্বচ্ছভাবে তথ্য পৌঁছে যাবে।


