Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ইরানের বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করল মিশর (Egypt)।
বিশ্বকাপের জন্য আপ্রাণ লড়াই ইরানের (Egypt)
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে সবাই অবগত। বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই ইরানকে মুখোমুখি হয় অনেক বাধার। একদিকে ভিসা ইস্যু আবার অন্যদিকে ম্যাচ শেষের ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমেরিকা ছাড়া। এরপরেও যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান বিশ্বকাপে নিজেদের লড়াই জারি রেখেছিল। তবে শনিবার এসে শেষে স্বপ্নভঙ্গ। মিশরের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হল ইরানকে (Egypt)।
এই ম্যাচ যেমন ছিল টানটান উত্তেজনায় ভরা তেমন ছিল নাটকীয়। ৯৩ মিনিটে সাইদ এজাতোলাহির শট যখন মিশরের জালে জড়িয়ে যায় তখন ইরানের ফুটবলাররা আনন্দে মেতে ওঠেন কিন্তু সেই আনন্দে কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় ভার। একদিকে বিশ্বকাপের নকআউটে যাওয়ার স্বপ্ন মিশরের সত্যি হয়েছে তেমন অন্যদিকে স্বপ্ন ভেঙেছে ইরানের। ম্যাচ শেষে ইরানের প্লেয়ারদের কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেল। ১-১ গোলে ড্র করেও বিশ্বকাপের রাউন্ড অফ ৩২-তে পৌঁছে গেল মোহামেদ সালাহ্র মিশর।
খেলা শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই এগিয়ে যায় মিশর। মিশরের মাহমৌদ সাবের বক্সে বল পেয়ে সেই বল জালে জড়িয়ে দিতে কোনও ভুল করেননি। ১০ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরানোর সুযোগ পেলেও সেটা প্রতিহত করেন মিশরের গোলকিপার ওউফা শোবেইর। ইরানের অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার মেহদি তারেমির পেনাল্টি আটকে দেন তিনি। তবে এর তিন মিনিট পরেই গোল শোধ করে ইরান। রামিন রেজায়েইয়ান বল জালে জড়িয়ে দিতে কোনও ভুল করেননি। ম্যাচ জুড়ে একাধিক সুযোগ পেলেও ভাগ্য সহায় হয়নি ইরানের। তবে শেষ মুহূর্তে আসে নাটকীয় মুহূর্ত (Egypt)।

ম্যাচের ৯৩তম মিনিটে ইরান ভেবেছিল জয়সূচক গোল পেয়ে গেছে তারা। সাইদ এজাতোলাহির শট জালে জড়িয়ে যেতেই উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছিলেন ইরানের ফুটবলাররা কিন্তু ভার চেক করে রেফারি জানান, অফসাইডের কারণে বাতিল হয়েছে গোল। তবে ভার-এর সিদ্ধান্ত নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। তিন মিনিট পরে আরও একবার ভাগ্য মুখ ফিরিয়ে নেয়। সাইদের হেড লাগে ক্রসবারে। আর সেখানেই শেষ হয়ে যায় সরাসরি শেষ ৩২-এ ওঠার আশা (Egypt)।
আরও পড়ুন: Metro Suicide: বেলগাছিয়া মেট্রোয় আত্মহত্যার চেষ্টা, ফের ব্যাহত পরিষেবা
শেষ বাঁশি বাজার পরে আর আবেগ সামলাতে পারেননি ইরানের প্লেয়াররা। কেউ হতাশায় মাঠে লুটিয়ে পড়েন, কেউ স্থির হয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকেন। সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফরা তাঁদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। গোলদাতা রামিন-সহ একাধিক ফুটবলারকে চোখের জল ফেলতে দেখা যায়। হেড কোচ আমির ঘালেনোয়েই ডাগআউটে একা বসে ছিলেন চোখে মুখে বিষাদের ছাপ।
অন্যদিকে উৎসবের আবহ মিশর শিবিরে। ম্যাচ শুরুর আগেই নকআউট পর্বে যাওয়া নিশ্চিত হয়েছিল তাদের। ইরানের বিরুদ্ধে ড্র করে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ G-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করল মিশর। ১৯৩৪ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেয় মিশর। ৯২ বছর পরে এই প্রথম নকআউটে যোগ্যতা অর্জন করল তারা। এখনও ইরানের সুযোগ থাকলেও সেটা এখন তাদের হাতে নেই (Egypt)।


