Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald J. Trump) বৃহস্পতিবার ফ্লরিডায় আয়োজন করলেন এক নৈশভোজ, যেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের প্রথম সারির প্রযুক্তি সংস্থার প্রধানরা(Elon Musk)। মেটার সিইও মার্ক জাকারবার্গ, অ্যাপলের সিইও টিম কুক, মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেল্লা, এবং সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস-সহ আরও অনেকে হাজির ছিলেন। তবে অনুপস্থিত ছিলেন টেসলা ও এক্স কর্ণধার ইলন মাস্ক, যা নিয়ে জল্পনা চরমে।
আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন কি মাস্ক? (Elon Musk)
অনুষ্ঠানে মাস্ককে দেখা না যাওয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, তাঁকে আদৌ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল কি না(Elon Musk)। হোয়াইট হাউসের এক আধিকারিক দাবি করেছেন, আমন্ত্রিতদের তালিকায় মাস্কের নাম ছিল না। কিন্তু মাস্ক নিজে জানিয়েছেন, “আমন্ত্রিত ছিলাম। তবে দুর্ভাগ্যজনক ভাবে যাওয়া হয়নি। আমার এক প্রতিনিধি সেখানে গিয়েছিলেন।” ফলে ঘটনাকে ঘিরে ধোঁয়াশা আরও গভীর হয়েছে।
ওপেনএআই প্রধানের উপস্থিতি (Elon Musk)
নৈশভোজে মাস্ক না থাকলেও হাজির ছিলেন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থা ওপেনএআই-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান (Elon Musk)। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাণিজ্যিক ব্যবহারে অল্টম্যানের সংস্থা এখন মাস্কের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায়। এ কারণে অনুষ্ঠানটিতে অল্টম্যানের উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিনিয়োগ নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ (Elon Musk)
ডিনারের সময় প্রতিটি সংস্থার প্রধানের কাছে ট্রাম্প জানতে চান, তাঁরা আমেরিকায় কত বিনিয়োগ করবেন। সংস্থাগুলির কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিশ্রুতি শুনে খুশি হন তিনি। মশকরা করে বলেন, “উচ্চ মেধাসম্পন্ন মানুষদের সঙ্গে বসে রয়েছি।”

আরও পড়ুন : Trump On China Military Show : চিনের সামরিক কুচকাওয়াজ নিয়ে ফের ক্ষোভ উগরে দিলেন ট্রাম্প!
ট্রাম্প-মাস্ক সম্পর্কের উত্থান-পতন (Elon Musk)
এক সময় ট্রাম্প ও মাস্কের সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেছিলেন মাস্ক এবং প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন। ক্ষমতায় এসে ট্রাম্প তাঁকে প্রেসিডেন্টের বিশেষ পরামর্শদাতা করেন এবং তাঁর নেতৃত্বে গঠিত হয় সরকারি দক্ষতা বিষয়ক দফতর (Elon Musk)।
কিন্তু একটি বিতর্কিত বিলকে কেন্দ্র করে সম্পর্কের অবনতি শুরু হয়। ট্রাম্প যেটিকে ‘বড় ও সুন্দর’ বিল বলে প্রশংসা করেছিলেন, মাস্ক প্রকাশ্যে তার সমালোচনা করেন। এরপর থেকেই দূরত্ব বাড়তে থাকে। মাস্ক শুধু প্রশাসনিক পদ ছাড়েননি, বরং ট্রাম্পকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করতেও ছাড়েননি। শেষ পর্যন্ত সেই বিল কংগ্রেসের দুই কক্ষেই পাশ হয়ে আইনে পরিণত হয়।
রাজনৈতিক তাৎপর্য‘
ট্রাম্পের এই নৈশভোজকে অনেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে প্রযুক্তি খাতের প্রভাবশালী মহলকে পাশে টানার কৌশল হিসেবে দেখছেন। মাস্কের অনুপস্থিতি তাই শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, রাজনৈতিক সমীকরণেও নতুন প্রশ্ন তুলেছে।


