Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর রবিবার ভোরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তথা ফরাক্কার প্রাক্তন বিধায়ক মইনুল হক (Mainul Haque)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তাঁর প্রয়াণের খবর নিশ্চিত হওয়ার পরই বাংলার রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে।
জানা গিয়েছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। এরপর থেকে কলকাতার একটি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে আজ ভোররাতে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত হন।
ছাত্র রাজনীতি থেকে টানা পাঁচবারের বিধায়ক (Mainul Haque)
মইনুল হক তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একসময় কংগ্রেসের দাপুটে নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের প্রথম বড় সাফল্য আসে ১৯৯৬ সালে, যখন তিনি প্রথমবার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই জয়ী হন। এরপর থেকে তিনি টানা পাঁচবার ফরাক্কা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক (Mainul Haque) নির্বাচিত হন।
আরও পড়ুন:Rail Accident: মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনা! সামশেরগঞ্জে রেললাইনে খেলা করতে গিয়ে মৃত্যু তিন কিশোরের
বিধানসভার রাজনীতি ছাড়াও তিনি সর্বভারতীয় স্তরে পরিচিত মুখ ছিলেন। তিনি সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির (AICC) সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর দীর্ঘদিনের জয়ের ধারা থেমে যায় ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে, যখন তিনি তৃণমূল প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। সেই বছরই তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন এবং দলের উচ্চস্তরে কাজ শুরু করেন।
মুখ্যমন্ত্রীর শোকবার্তা
বর্ষীয়ান এই নেতার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে শোকবার্তা প্রকাশ করে মইনুল হকের (Mainul Haque) পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘আমার রাজনৈতিক সহকর্মী মইনুল হকের প্রয়াণে গভীর শোকজ্ঞাপন করছি। তিনি ফরাক্কার প্রাক্তন বিধায়ক ছিলেন এবং গত কয়েক বছর ধরে দলের উচ্চ পর্যায়ে আমাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর পরিবার, বন্ধু এবং সমর্থকদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা জানাই।’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর শোকবার্তায় প্রয়াত নেতার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন। মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে মইনুল হকের (Mainul Haque) চলে যাওয়া এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবেই দেখছেন তাঁর দীর্ঘদিনের সঙ্গী ও সমর্থকেরা।


