Last Updated on [modified_date_only] by Anustup Roy Barman
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন (Pak Escalated Situation) পাহেলগাম হামলাই ছিল আসল উত্তেজনা তৈরি করেছে। পাক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ভারতের আঘাতের পর এই সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছে।
মূল উত্তেজনার সূচনা: পাহেলগাঁও হামলা (Pak Escalated Situation)
ভারত সরকারের মতে, ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পাহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হন (Pak Escalated Situation)। এই হামলাকে সরকার ‘মূল উত্তেজনা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, “পাহেলগাঁওয়ের হামলাই মূল উত্তেজনা, এবং ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী সেই উত্তেজনার জবাব দিয়েছে।”
পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া ও ভারতের পাল্টা হামলা (Pak Escalated Situation)
পাহেলগাঁও হামলার পর, পাকিস্তান ভারতের ১৫টি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা করে (Pak Escalated Situation)। এর প্রতিক্রিয়ায়, ভারত বৃহস্পতিবার লাহোরসহ পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে এয়ার ডিফেন্স রাডার সিস্টেম ধ্বংস করে।
সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী TRF ও পাকিস্তানের ভূমিকা
পাহেলগাঁও হামলার দায়িত্ব ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF) নামে একটি গোষ্ঠী স্বীকার করে। বিদেশ সচিব মিসরি বলেন, “TRF একটি সুপরিচিত পাকিস্তানভিত্তিক সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার ফ্রন্ট।” তিনি আরও জানান, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পাহেলগাঁও হামলা নিয়ে আলোচনা চলাকালীন, পাকিস্তান TRF-এর উল্লেখের বিরোধিতা করে।
‘অপারেশন সিঁদুর’ এর নির্ভুলতা ও সীমিত প্রতিক্রিয়া
ভারত সরকারের মতে, ‘অপারেশন সিঁদুর’ ছিল সুনির্দিষ্ট, সীমিত এবং উত্তেজনা বৃদ্ধি না করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত। এই অভিযানে শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামোকে আক্রমণ করা হয়েছিল, এবং কোনও সামরিক স্থাপনা বা বেসামরিক এলাকা আক্রমণ করা হয়নি।
পাকিস্তানের হামলায় সাধারণ মানুষ হতাহত
পাকিস্তানের হামলায় পুঞ্চসহ অন্যান্য এলাকায় ১৬ জন সাধারণ নাগরিক নিহত হন। ভারত সরকার জানায়, এই হামলায় ধর্মীয় ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি
বিদেশ সচিব মিসরি বলেন, “পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী তাদের দেশের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
নাগরিকদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কবর
ভারত সরকার জানায়, পাকিস্তানে বেসামরিক নাগরিকদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কবর দেওয়া হয়েছে, যা প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। এই কবরে পাকিস্তান সেনাবাহিনী, পুলিশ, বেসামরিক কর্মকর্তা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত জামাত-উদ-দাওয়াহ (JuD) এর সদস্যরা অংশ নেন।
সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া
ভারত সরকার স্পষ্ট করেছে যে, ‘অপারেশন সিঁদুর’ ছিল সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একটি সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত প্রতিক্রিয়া। এই অভিযানের মাধ্যমে ভারত তার সীমানা এবং নাগরিকদের সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।


