Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সদ্য স্বস্তি ফিরেছিল ইতালির ফুটবলে। কোচ হিসেবে ফিরেছেন রবার্তো মানচিনি।ইতালিয়ান ফুটবলে শোকের ছায়া। প্রয়াত হয়েছেন ইতালি ও এসি মিলানের সর্বকালের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার ফ্রাঙ্কো বারেসি (Franco Italy)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। কিংবদন্তি এই ফুটবলারের প্রয়াণের খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে তাঁর দীর্ঘদিনের ক্লাব এসি মিলান।
বর্ণময় কেরিয়ার (Franco Italy)
১৯৬০ সালে জন্ম নেওয়া বারেসি ফুটবল বিশ্বে অন্যতম সেরা রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দুর্দান্ত টেকনিক, নিখুঁত ট্যাকলিং এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ আগে থেকেই বুঝে নেওয়ার ক্ষমতার জন্য তিনি কিংবদন্তি হয়ে ওঠেন। এসি মিলানে তাঁকে প্রথমে ‘পিসকিনিন’ বা ‘লিটল ওয়ান’ এবং পরে বিখ্যাত জার্মান ফুটবলার ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারের সঙ্গে তুলনা করে ‘কাইজার ফ্রাঞ্জ’ নামে ডাকা হতো।
১৯৭৭ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে এসি মিলানে পেশাদার কেরিয়ার শুরু করেন এবং দীর্ঘ ২০ বছর কেবল এই ক্লাবেই খেলে কাটিয়ে দেন। লাল কালো জার্সিতে তিনি মোট ৫৩২টি ম্যাচ খেলে ১৬টি গোল করেন। মাত্র ২২ বছর বয়সেই তিনি দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পান এবং ক্লাবের ‘কাপিতানো’ হিসেবে পরিচিত হন। মিলানের হয়ে তিনি তিনটি ইউরোপিয়ান কাপ বা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ছ’টি ইতালিয়ান লিগ শিরোপা জয় করেন।
জাতীয় দলের কেরিয়ার (Franco Italy)
ইতালির হয়ে ১৯৮২ থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে ৮১টি ম্যাচ খেলেছেন বারেসি। মাত্র ২২ বছর বয়সে ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপজয়ী ইটালির দলের সদস্য ছিলেন, যদিও সেবার মাঠে নামার সুযোগ পাননি। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে তিনি ইটালির অধিনায়কত্ব করেন। সেই বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিলের কাছে টাইব্রেকারে হেরে রানার্স আপ হয়েছিল ইটালি, যেখানে দলের প্রথম পেনাল্টি মিস করেছিলেন বারেসি নিজে।
আরও পড়ুন: Brazil vs India: ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে আসছে ব্রাজিল!
শেষ জীবন ও প্রয়াণ (Franco Italy)
ফুসফুসের টিউমার অপসারণের জন্য গত বছর তাঁর একটি অস্ত্রোপচার হয়েছিল। তারপর থেকেই তিনি জনসমক্ষে আসা কমিয়ে দিয়েছিলেন (Franco Italy)। কিছুদিন আগেও তাঁর প্রয়াণের একটি গুজব ছড়িয়ে পড়লে এসি মিলান তা উড়িয়ে দিয়েছিল। তবে এবার আর কোনও গুজব নয়, সত্যি সত্যিই না ফেরার দেশে চলে গেলেন ইটালির ফুটবলের এই অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র। কেরিয়ারের শেষ দিকে তরুণ পাওলো মালদিনি এবং আলেসান্দ্রো কোস্তাকুর্তোদের সঙ্গে জুটি বেঁধে তিনি বিশ্বফুটবলে রক্ষণভাগের এক অবিস্মরণীয় নজির গড়েছিলেন। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ গোটা ফুটবল বিশ্ব।



