Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গোয়ার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল নাইটক্লাব ‘বার্চ বাই রোমিও লেন’–এর দুই মালিক গৌরব ও সৌরভ লুথরার নতুন করে মেডিক্যাল পরীক্ষার নির্দেশ দিল উত্তর গোয়ার এক আদালত(Goa Fire)। ৬ ডিসেম্বর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ভাইকে কয়েক দিন আগেই থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফেরানো হয়েছে।
ভারতে ফিরেই অসুস্থ ১ অভিযুক্ত (Goa Fire)
আন্তর্জাতিক তল্লাশির পর থাইল্যান্ড থেকে ডিপোর্ট করে লুথরা ভাইদের ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। গোয়ায় পৌঁছানোর পর তাদের একজন বুকে ব্যথা ও অস্বস্তির অভিযোগ করেন বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে তাকে সিওলিম স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উত্তর গোয়া জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে তাদের আদালতে হাজিরা দেওয়া সম্ভব হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
কীভাবে আগুন লাগে? (Goa Fire)
প্রথমে মনে করা হয়েছিল, এলপিজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকেই আগুনের সূত্রপাত। তবে প্রাথমিক তদন্তে সেই সম্ভাবনা নাকচ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, ক্লাবে ইনডোর বৈদ্যুতিক ফায়ারক্র্যাকার থেকেই আগুন লাগে। এছাড়াও, ক্লাবের সরু বেরোনোর পথ মানুষের বেরোনোর ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত জানিয়েছেন, “প্রাথমিক রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ইনডোর ফায়ারক্র্যাকার থেকেই আগুন লেগেছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কীভাবে রাতারাতি থাইল্যান্ড পালালেন লুথরা ভাইরা? (Goa Fire)
অগ্নিকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সৌরভ ও গৌরব লুথরা দেশ ছাড়েন। ৭ ডিসেম্বর ভোরে তারা একটি ইন্ডিগো বিমানে চেপে থাইল্যান্ডের ফুকেটে পৌঁছান। গোয়া পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে লুক-আউট সার্কুলার জারি করে এবং ইন্টারপোলের সহায়তায় ব্লু কর্নার নোটিস জারি হয়। একই সঙ্গে দিল্লির আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস পাসপোর্ট আইন অনুযায়ী তাদের পাসপোর্ট স্থগিত করে। পরে ফুকেটে হোটেলের বাইরে থাই কর্তৃপক্ষ তাদের আটক করে এবং ভারতে ফেরত পাঠায়।



