Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বজুড়ে আবহাওয়াবিদদের উদ্বেগ বাড়িয়ে চলেছে শক্তিশালী ‘গডজিলার মত’ এল নিনো(Godzilla El Nino)। জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) সতর্ক করেছে, চলতি বছরের শেষভাগ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত এই আবহাওয়া পরিস্থিতি বিশ্ব উষ্ণায়নকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী এল নিনো হয়ে উঠতে পারে।
এল নিনোয় বাড়ে বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা (Godzilla El Nino)
এল নিনো হল প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের অস্বাভাবিক উষ্ণতা বৃদ্ধি। এটি এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন (ENSO)-এর একটি স্বাভাবিক জলবায়ুগত পর্যায়, যা সাধারণত দুই থেকে সাত বছর অন্তর দেখা যায়। এই সময়ে সমুদ্র থেকে বায়ুমণ্ডলে বেশি তাপ সঞ্চারিত হওয়ায় বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা বেড়ে যায়।
WMO-র মতে, বছরের মাঝামাঝি এল নিনো গঠনের সম্ভাবনা প্রায় ৮০ শতাংশ, যা বছরের শেষে ৯০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এল নিনোর প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও মধ্য আফ্রিকায় সাধারণত শুষ্ক আবহাওয়া দেখা যায়। ভারতে দুর্বল হতে পারে মৌসুমি বায়ু, ফলে বৃষ্টিপাত কমে খরার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
আবহাওয়াবিদদের একাংশ এই ঘটনাকে ‘গডজিলা এল নিনো’ নামে অভিহিত করছেন। কারণ এর তীব্রতা অত্যন্ত বেশি হতে পারে। এর সঙ্গে যদি ‘পজিটিভ ইন্ডিয়ান ওশান ডাইপোল’ যুক্ত হয়, তবে ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় দীর্ঘ ও শুষ্ক মৌসুম, দাবানল এবং জলসংকট আরও বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, শক্তিশালী এল নিনো কৃষিক্ষেত্রে বড় ধাক্কা দিতে পারে। খরা ও বন্যার কারণে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম বাড়তে পারে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। এছাড়া সমুদ্রের উষ্ণতা বৃদ্ধিতে মাছের প্রজনন ও বাসস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে(Godzilla El Nino)।
আরও পড়ুন: Cancer Medicine: ভারতে ক্যানসারের অত্যাবশ্যক দুই ওষুধের তীব্র সংকট, উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা
গবেষকদের মতে, এল নিনো অত্যন্ত শক্তিশালী হলে দাবানল, বায়ুদূষণ, ফসলহানি এবং জলবায়ুজনিত অভিবাসনের মতো সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটও বাড়তে পারে(Godzilla El Nino)।



