Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিধায়কদের নিজস্ব অফিস বা ‘সেবাকেন্দ্র’ চালানোর জন্য মাসে ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অগস্ট থেকেই এই অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে অর্থ পাওয়ার ক্ষেত্রে থাকছে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত।

সেবাকেন্দ্রের নামেই নেতাজি (Suvendu Adhikari)
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে প্রথম শর্তটি। প্রতিটি বিধায়ককে তাঁর সেবাকেন্দ্রের নাম রাখতে হবে ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবাকেন্দ্র’। অর্থাৎ বিধায়কদের অফিসের নামকরণের সঙ্গেই নেতাজির নামকে যুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
রাখতে হবে নেতাজির বিশেষ ছবি (Suvendu Adhikari)
শুধু নাম রাখলেই হবে না। সেবাকেন্দ্রে ধুতি-পঞ্জাবি পরিহিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর একটি ছবি রাখাও বাধ্যতামূলক। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের তরফে সেই ছবি বিধায়কদের পাঠানো হবে। ফলে নির্দিষ্ট ছবিটিই অফিসে রাখার ব্যবস্থা করা হবে।
শর্ত মানলেই মাসে ৩০ হাজার (Suvendu Adhikari)
এই দুটি শর্ত পূরণ করলেই বিধায়করা সেবাকেন্দ্র পরিচালনার জন্য মাসে ৩০ হাজার টাকা পাবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ নাম ও ছবি দুই ক্ষেত্রেই সরকারের নির্ধারিত নিয়ম মানতে হবে। শর্ত পূরণ না করলে এই আর্থিক সুবিধা মিলবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।
নেতাজিকে ঘিরে বিতর্কের আবহ (Suvendu Adhikari)
নেতাজিকে ঘিরে নানা বিতর্কের আবহেই এই ঘোষণা বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। নেতাজিকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ থেকে শুরু করে তাঁর নামাঙ্কিত রাস্তার নাম পরিবর্তন—একাধিক ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সেই আবহে সরকারি অর্থের সঙ্গে নেতাজির নাম ও ছবিকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বিধানসভায় আসবে সংশোধনী (Suvendu Adhikari)
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই ব্যবস্থাকে কার্যকর করার জন্য বিধানসভার পরবর্তী অধিবেশনে সংশোধনী আনা হবে। অর্থাৎ ঘোষণার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করা হবে। অগস্ট থেকেই বিধায়করা এই অর্থ পাওয়ার সুযোগ পাবেন বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:North Bengal: বাঙালি-ভাটিয়াদের নিয়ে মন্তব্যে আইনি জটিলতায় তৃণমূল যুবনেতা
সম্মান নাকি রাজনৈতিক বার্তা? (Suvendu Adhikari)
বিধায়কদের সেবাকেন্দ্রে নেতাজির নাম ও ছবি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্তকে কেউ দেখছেন নেতাজির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের উদ্যোগ হিসেবে, আবার কারও মতে এর মধ্যে রয়েছে স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তাও। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার—বিধায়কদের অফিস পরিচালনার ৩০ হাজার টাকার সঙ্গে এবার অবিচ্ছেদ্যভাবে জুড়ে গেল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নাম ও স্মৃতি।



