Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হুগলির মুকুটে যুক্ত হল নতুন গৌরব। জেলার চারটি ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও খাদ্যপণ্য (Hooghly GI Tag) এবার পেল জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা জিআই স্বীকৃতি। চন্দননগরের বিখ্যাত জলভরা সন্দেশ, বলাগড়ের নৌ শিল্প, জনাইয়ের মনোহরা এবং বেগমপুরের শাড়ি-এই চারটি পণ্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির তালিকায় জায়গা করে নিল।
অপেক্ষার অবসান (Hooghly GI Tag)
দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, গবেষণা ও আইনি প্রক্রিয়ার (Hooghly GI Tag) পর এই স্বীকৃতি পাওয়ায় খুশি কারিগর, শিল্পী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। হুগলির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই পণ্যগুলি এবার আরও বড় বাজারে পৌঁছনোর সুযোগ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কোন কোন শিল্পের কী বৈশিষ্ট্য?
- চন্দননগরের জলভরা সন্দেশ শুধু একটি মিষ্টি নয়, এটি বাংলার মিষ্টি সংস্কৃতির অন্যতম পরিচয়। বহু বছর ধরে এই বিশেষ ধরনের সন্দেশ মানুষের কাছে জনপ্রিয়। অন্যদিকে বলাগড়ের নৌ শিল্প কয়েকশো বছরের পুরনো ঐতিহ্য বহন করে আসছে। কাঠের নৌকা তৈরির এই বিশেষ কারিগরি আজও বহু শিল্পী পরিবারের জীবিকার অন্যতম মাধ্যম।
- জনাইয়ের মনোহরা এবং বেগমপুরের শাড়িও বাংলার নিজস্ব ঐতিহ্যের প্রতীক। মনোহরার বিশেষ প্রস্তুত প্রণালী এবং বেগমপুরের শাড়ির বয়নশৈলী দীর্ঘদিন ধরে মানুষের নজর কেড়েছে। জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার ফলে এই শিল্পগুলির পরিচিতি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি বাংলার এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে চন্দননগরের জলভরা সন্দেশ তুলে দেওয়া হয়েছিল।
আরও পড়ুন: Ajo Ardhangini: ‘অর্ধাঙ্গিনী’র অসমাপ্ত গল্পের নতুন অধ্যায়, ফিরছে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’
বিশেষজ্ঞদের মতে, জিআই ট্যাগ শুধু পরিচয়ের স্বীকৃতি নয়, এর মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পী ও কারিগরদের পণ্য সংরক্ষণ, প্রচার এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছনোর সুযোগ তৈরি হয়। হুগলির এই চার ঐতিহ্য এখন নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে চলেছে।


