Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অমল চক্রবর্তী, হুগলি: স্কুলে চেয়ার, টেবিল (Hooghly) ব্ল্যাকবোর্ড সবই আছে, নেই শুধু পড়ুয়া। হুগলির পান্ডুয়ার কোঁচমালি বোড়াগড়ী মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রের ছবিটা এমনই।
ছাত্রের সংখ্যা ৪! (Hooghly)
২০০৫ সালে চালু হওয়া এই স্কুলে একসময় (Hooghly) পড়ুয়ার সংখ্যা ছিল শতাধিক। এখন খাতায়-কলমে ১৮ জন থাকলেও নিয়মিত আসে মাত্র চারজন। এদের মধ্যে অনেকেই নিয়মিত স্কুলে আসে না। আর এই চারজন ছাত্রের জন্য তিনজন শিক্ষক। যাদের মধ্যে আবার ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে প্রায় অনুপস্থিত থাকেন একজন শিক্ষক।
পরিদর্শনে বিধায়ক (Hooghly)
শনিবার ওই স্কুলে হঠাৎ পরিদর্শনে যান পান্ডুয়ার বিজেপির বিধায়ক তুষার (Hooghly)মজুমদার । বিধায়ককে কাছে পেয়ে এক রাস ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা । স্কুলের ক্লাসরুমে বেঞ্চ রয়েছে অথচ পড়ুয়া নেই। পঞ্চম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্র সংখ্যা মাত্র চার জন। সপ্তম শ্রেণীতে দুজন, ষষ্ঠ শ্রেণীতে একজন ও অষ্টম শ্রেণীতে একজন। তবে প্রতিদিনই হয় মিড ডে মিল। পড়ুয়ার অভাবে ধুকছে সরকারি স্কুল।
স্থানীয়দের অভিযোগ (Hooghly)
স্থানীয়দের অভিযোগ, “একসময় এই স্কুলে আশেপাশের অনেক ছাত্র পড়তো। কিন্তু এখন আর কেউ আসে না। আমরাও পাঠাই না। কারণ এই স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যা কম থাকায় পড়াশোনা ঠিকভাবে হয় না তাই ছেলেদের কয়েক কিলোমিটার দূরে মেমারি, দেবীপুর, বৈচিগ্রাম স্কুলে পাঠাই। পড়াশোনার সুবিধা থাকলে তবেই তো আমরা বাচ্চাদের পড়াবো। কিন্তু এখানে পড়াশোনার কোনো পরিবেশ নেই। তাই বাধ্য হয়েই অন্য স্কুলে পাঠাই।”
বিধায়ক তুষার বলেন, “এই স্কুলের দরজা জানলার অবস্থাও খারাপ, ভেঙে গিয়েছে। স্কুলে মাত্র চার জন ছাত্র। আজ মর্নিং স্কুলে চারজন ছাত্র উপস্থিত হয়েছিল। শিক্ষক তিনজন তাদের হাজিরাও ঠিক মতো নেই। শিক্ষকের অভাব রয়েছে।” রাজ্যের বিগত তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেন বিধায়ক। তার অভিযোগ, বিগত সরকার এসব দিকে কোনো নজর দেয়নি। তাদের নজর ছিল ব্যবসার দিকে। বেসরকারি স্কুলের দিকে বিগত সরকারের দৃষ্টি ছিল, সরকারি স্কুল গুলো একের পর এক ধ্বংস করেছে। এই সরকার শুধু মদের ওপর চলেছে। বিগত সরকার মদ থেকে পয়সা পেত। তৃণমূল শুধু নীল সাদা রংই করেছে আর কিছুই করেনি। তিনি বলেন, “আমি পরিদর্শন করে গেলাম,রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কাছে আমি সমস্ত তথ্য দেব। স্কুলের শিক্ষককে ও নির্দেশ দেন ,স্কুলের সমস্ত তথ্য তার কাছে দিতে। আমাদের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী কিছু ব্যবস্থা করবেন। স্কুলের শিক্ষককেও নির্দেশ দেন মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করুন। একটা ঘরের মধ্যেই চারটে করে ক্লাস নেন।”
আরও পড়ুন: Metro Suicide: বেলগাছিয়া মেট্রোয় আত্মহত্যার চেষ্টা, ফের ব্যাহত পরিষেবা
স্কুলের মুখ্য সম্প্রসারক জয়দেব ঘোষ বলেন, ‘২০০৮ সালে এই স্কুলে শেষ নিয়োগ হয়েছিল। তারপর থেকে আর কোনো শিক্ষক এই স্কুলে আসেনি। আস্তে আস্তে কমেছে শিক্ষকের সংখ্যা। এই স্কুলে শিক্ষক না থাকায় অনেক অভিভাবক তাদের ছেলেমেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠাচ্ছেন না। এই স্কুলে মোট পড়ুয়ার সংখ্যা ১৮ জন, এখন নিয়মিত স্কুলে আসে মাত্র চার জন।’
এই স্কুলের পাশেই রয়েছে নারী ও শিশু বিকাশ এবং সমাজকল্যাণ দপ্তরের সুসংহত শিশু বিকাশ সেবা প্রকল্প। সেখানেও পৌঁছে যান বিধায়ক। অভিযোগ করেন, স্কুলের জানলার পাল্লা ভাঙ্গা বর্ষার সময় ভাঙা এডবেস্টার দিয়ে জল পড়ে । জলের সমস্যা রয়েছে


