Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দাবি করেছেন যে, ওয়াশিংটন হরমুজ প্রণালীর ওপর “সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ” প্রতিষ্ঠা করেছে। তিনি অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি ও অবরোধকে “ইস্পাতের প্রাচীর” (WALL OF STEEL) হিসেবে বর্ণনা করেন এবং বলেন, এই পরিস্থিতিতে ইরান কিছুই করতে পারবে না। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক পরিকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে(Hormuz Clash)।
মার্কিন ইরান হরমুজ সঙ্ঘাত চরমে Hormuz Clash)
তবে ওয়াশিংটনের এই দাবিকে তীব্র ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। বুধবার ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, কূটনৈতিক এই জলপথটি এখনও অবরুদ্ধ রয়েছে এবং মার্কিন কোনও দাবির মাধ্যমে বাস্তব পরিস্থিতি বদলে যাবে না।
পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি (PGSA) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প বা আমেরিকান কর্মকর্তাদের বারবার পোস্ট সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকছে। তেহরানের দাবি বা শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে না।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (SNSC) নবনিযুক্ত প্রধান মহসীন রেজাই এক বার্তায় তেহরানের প্রধান শর্তগুলো তুলে ধরেনHormuz Clash)। তিনি স্পষ্ট জানান যে, প্রণালীটি পুনরায় খোলার আগে আমেরিকাকে তিনটি মূল দাবি মেনে নিতে হবে:
যুদ্ধ এবং অবরোধ অবিলম্বে বন্ধ করা।
ইরানের বাজেয়াপ্ত ও স্থগিত করা সমস্ত অর্থনৈতিক সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া।
গাজা ও লেবাননসহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে একটি ব্যাপক ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়া।
আরও পড়ুন: Red Fort Al Qaeda: জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বড় তথ্য: রেড ফোর্ট হামলায় জড়িত আল-কায়দা সংস্থা এআইএস
বিশ্বের মোট পেট্রোলিয়াম বা খনিজ তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে এই নৌপথ অবরুদ্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের চরম অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছেHormuz Clash)। ট্রাম্পের দাবি বনাম ইরানের অটল অবস্থানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের এই জলসীমায় চলমান সামরিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও জটিল আকার ধারণ করছে।



