Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত আসিয়ান (ASEAN) সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে জয়শঙ্কর স্পষ্ট ভাষায় জানান, ভারত ও চিনের মধ্যে স্বাভাবিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তোলার মূল শর্ত হল সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা(Indo China ASEAN Meet)।
সীমান্তে শান্তিই প্রথম শর্ত (Indo China ASEAN Meet)
আলোচনায় জয়শঙ্কর জোর দিয়ে বলেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (LAC) শান্তি বজায় রাখা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণের জন্য অপরিহার্য। দুই দেশেরই সীমান্ত পরিচালনা ব্যবস্থাকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়া উচিত।
কাজাঙ্কান বৈঠকের প্রভাব
২০২৪ সালের অক্টোবরে কাজান শহরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যকার সমঝোতার পর দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হচ্ছে। বৈঠকে সরাসরি বিমান পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়া, ভিসা ব্যবস্থার সহজীকরণ, কৈলাশ মানস সরোবর যাত্রা এবং সীমান্ত বাণিজ্য শুরুর ইতিবাচক পদক্ষেপগুলোকে স্বাগত জানানো হয়।
অর্থনৈতিক ও অন্যান্য উদ্বেগ (Indo China ASEAN Meet)
ইতিবাচক অগ্রগতির পাশাপাশি কিছু বকেয়া সমস্যার কথাও তুলে ধরা হয়:
ভারতীয় ব্যবসার জন্য চিনের বাজারের সুযোগ বৃদ্ধি করা
দু’দেশের মধ্যকার বড় অঙ্কের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো
সরবরাহ শৃঙ্খল (supply chains) বা সাপ্লাই চেইনের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা
আরও পড়ুন: NEET Paper Leak: গলি থেকে রাজপথে NEET আন্দোলন, ছড়াচ্ছে দেশের একাধিক বড় শহরে
ব্রিকস ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি (Indo China ASEAN Meet)
ভারত এ বছর BRICS-এর সভাপতিত্ব করায় চিন যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য ওয়াং ই-কে ধন্যবাদ জানান জয়শঙ্কর। বৈশ্বিক জটিল পরিস্থিতির মধ্যে মতপার্থক্যকে বিরোধে পরিণত না হতে দিয়ে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের জুলাইয়ের পর দুই বিদেশমন্ত্রীর এই বৈঠক ভারত-চিন সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদী স্থায়ী রূপরেখা তৈরিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।



