Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নির্বাচনের রণদামামা বেজে গিয়েছে। আগামী ২৩ এপ্রিল উত্তরবঙ্গ-সহ দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি কেন্দ্রে প্রথম দফার ভোট। ঠিক তার আগেই বড়সড় ধাক্কা ঘাসফুল শিবিরে। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তৃণমূলের ভোট কৌশলী হিসেবে কাজ করা সংস্থা আই-প্যাক (IPAC) হঠাৎ করেই বাংলায় তাদের যাবতীয় কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা করেছে।
আইনি বাধ্যবাধকতা ও কর্মীদের ছুটি (IPAC)
সূত্রের খবর, আই-প্যাক (IPAC) কর্তৃপক্ষের তরফে কর্মীদের বিশেষ ইমেল পাঠানো হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, বর্তমানে কিছু আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে সংস্থা তাদের কাজকর্ম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে বাধ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতির জেরে কর্মীদের আগামী ২০ দিনের জন্য ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। ইমেলে বলা হয়েছে, আগামী ১১ মে-র পর পুনরায় কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে এবং পরবর্তী রণকৌশল নিয়ে আলোচনা হবে।
আরও পড়ুন:BJP Attacks TMC: ‘তৃণমূলকে ভোট দেব’ বলাতেই মহিলাকে ঠাসিয়ে চড় বিজেপি নেতার
সংস্থার শীর্ষ নেতৃত্ব কর্মীদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছেন। কর্মীদের উদ্দেশে বার্তায় বলা হয়েছে, “আপনারা ধৈর্য ধরুন। নির্দিষ্ট সময়ে আমরা সঠিক বিচার পাব বলেই আশা করছি।” কাজ বন্ধ থাকলেও প্রয়োজনে কর্মীরা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।
রাজনৈতিক সমীকরণ
ভোটের ঠিক আগে আই-প্যাকের (IPAC) এই প্রস্থান তৃণমূলের ভোট ব্যবস্থাপনায় কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। একুশের বিধানসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে চব্বিশের লোকসভা ভোট, তৃণমূলের প্রচার কৌশল, স্লোগান তৈরি এবং প্রার্থী নির্বাচনে আই-প্যাকের বড় ভূমিকা ছিল। প্রথম দফার ভোটের ঠিক আগে যখন মাঠ পর্যায়ে তথ্য বিশ্লেষণ এবং বুথভিত্তিক রণকৌশল চূড়ান্ত করার সময়, তখনই এই ‘সাময়িক বিচ্ছেদ’ তৃণমূলের জন্য যথেষ্ট অস্বস্তিকর হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আরও পড়ুন:BJP Campaign: বিধবা ভাতায় সধবার ছবি, বিজেপির প্রচারে হাসির রোল নেটপাড়ায়
বিরোধী শিবির অবশ্য এই ঘটনাকে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা আইনি ভীতি হিসেবেই দেখছে। তবে আই-প্যাকের (IPAC) তরফে ১১-মে ফেরার যে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তা ভোটের পরবর্তী দফার ক্ষেত্রে কতটা কার্যকর হবে, এখন সেটাই দেখার।


