Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বকাপের শুরু থেকেই চর্চায় ছিলেন হলান্ড আর প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত করলেন তিনি (Iraq vs Norway)।
ইরাককে গুঁড়িয়ে জয় নরওয়ের (Iraq vs Norway)
আগেরদিন বিশ্ব ফুটবল সাক্ষী থেকেছে কয়েকটি অঘটনের তবে আজকের দিনে তেমন কোনও অঘটন ঘটল না। আগের ম্যাচে যেমন জয় পেয়েছে ফ্রান্স তেমন দ্বিতীয় ম্যাচে দাপুটে জয় দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল নরওয়ে। এই ম্যাচে যাঁর দিকে সবথেকে বেশি নজর ছিল যাঁর দিকে সেই আর্লিং হলান্ড করলেন জোড়া গোল। ৪-১ ব্যবধানে বড় জয় নরওয়ের (Iraq vs Norway)।
তবে এই ম্যাচ পুরোপুরি যে একাই নায়ক হলান্ড তা নয় কারণ দলের জয়ে বাকিদেরও অবদান রয়েছে। ২৯ এবং ৪৩ মিনিটের জোড়া গোলের উপর আবার ৭৬ মিনিটে নরওয়ের হয়ে আরও একটি গোল করে ব্যবধান আরও বাড়ায় স্কিরি অস্টিগার্ড। অতিরিক্ত ৬ মিনিটে শেষ গোলটি আত্মঘাতী। ইরাকের তারকা স্ট্রাইকার আইমেন হুসেইনের কাছ থেকে আসে শেষ গোল (Iraq vs Norway)।

আরও পড়ুন: Nabanita Das: ‘জিতুর বাচ্চা বউ’-এর লাস্যময়ী অবতারে মাতল নেটদুনিয়া!
এই ম্যাচে ইরাকের হয়ে একমাত্র গোলটিও করেন এই তারকা স্ট্রাইকার আইমেন হুসেইনের। সেই গোলে সমতা ফেরে দলে। ২৯ মিনিটে হলান্ড নরওয়েকে এগিয়ে দেওয়ার পর ৩৯ মিনিটে হেডে গোল করেন আইমেন এবং তখন স্কোর ছিল সমান সমান কিন্তু এরপর আর ইরাক কোনও মতে ছুঁতে পারেনি হলান্ডকে। পরে আত্মঘাতী গোল করায় বিশ্বকাপে বিরল এক তালিকায়ও নাম লেখান তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এক ম্যাচে গোল করার পাশাপাশি আত্মঘাতী গোলও করলেন ইরাক তারকা আইমেন।

বিশ্বকাপে এ নিয়ে দ্বিতীয় গোল পেল ইরাক। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে গোল পেয়েছিল ইরাক। ৪০ বছর ৯ দিন পর আইমেনের কল্যাণে ২০২৬ বিশ্বকাপে আরেকটি গোলের দেখা পেল ইরাক। এই নিয়ে এটা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসা ইরাকের। বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো জাতীয় দলের প্রথম ও দ্বিতীয় গোলের মাঝখানে এটা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সময়ের ব্যবধান। তবে এখন মানুষ প্রহর গাছে মেসিকে দেখার জন্য এবং তাঁর বাঁ পায়ের ম্যাজিকের সাক্ষী থাকার (Iraq vs Norway)।


